• শুক্রবার , ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ | ৭ কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ক্ষতিকর উপাদান পাওয়ায় ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের

ক্ষতিকর উপাদান পাওয়ায় ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:১১ ২১ জুলাই ২০২৬

ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় স্বাস্থ্যঝুঁকিপূর্ণ উপাদান পাওয়ায় চারটি প্রতিষ্ঠানের আটটি পণ্য বাজার থেকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)।

একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পণ্যের উৎপাদন, বিক্রি ও সরবরাহ কার্যক্রম নতুন করে অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২০ জুলাই) বিএসটিআইয়ের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

বিএসটিআই জানিয়েছে, পরীক্ষায় কয়েকটি পণ্যে অতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ, ক্ষতিকর অণুজীব এবং নির্ধারিত মানের ঘাটতি পাওয়া গেছে।

ফ্রেশ গার্ডেন অ্যাগ্রো রিসোর্সেসের ‘আমের আচার’-এ অনুমোদিত সীমার চেয়ে বেশি মাত্রায় প্রিজারভেটিভ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

এছাড়া কাজী ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ‘বেলিসিমো’ ব্র্যান্ডের ‘রোটোন্ডো হ্যাজেলনাট কোটেড চকলেট’ আইসক্রিমে নির্ধারিত মানের তুলনায় টোটাল মিল্ক সলিড নন-ফ্যাটের পরিমাণ বেশি পাওয়া গেছে।

সবচেয়ে বড় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে প্রসাধনী পণ্য নিয়ে। বিএসটিআইয়ের পরীক্ষায় অলিভ বাংলাদেশ লিমিটেডের ‘লাবণ্য’ ব্র্যান্ডের কয়েকটি স্কিন লোশন, ফেসওয়াশ ও শ্যাম্পুতে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে।

যেসব পণ্যে সমস্যা পাওয়া গেছে তার মধ্যে রয়েছে লাবণ্য মিল্ক স্কিন লোশন, অ্যালোভেরা স্কিন লোশন, ফেসওয়াশ মোরিংগা+মাচা, ফোমিং মিল্ক, তুলসী ফেসওয়াশ এবং অ্যালোভেরা ভ্যারিয়েন্টের শ্যাম্পু।

এদিকে ডেকো ফুডস লিমিটেডের ‘ডেকো ফ্রুট ফান্ডা’ ব্র্যান্ডের ম্যাংগো ও অরেঞ্জ স্বাদের সফট ড্রিংক পাউডারে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ‘সি’-এর মাত্রা নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে কম পাওয়া গেছে।

বিএসটিআই দেশের সব ডিলার, পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাকে এসব পণ্য দ্রুত বাজার থেকে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে। নির্দেশনা বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না, তা মাঠপর্যায়ে তদারকি করা হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিএসটিআই আরও জানিয়েছে, কোনো প্রতিষ্ঠান নির্দেশনা অমান্য করলে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভোক্তাদের সতর্ক করে বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হক বলেন, পণ্য কেনার আগে ক্রেতাদের বিএসটিআইয়ের লোগো, লাইসেন্স নম্বর, উৎপাদনের তারিখ এবং মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ যাচাই করা উচিত।

কোনো পণ্যের মান নিয়ে সন্দেহ হলে দ্রুত বিএসটিআইকে জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বিজ্ঞাপন