চট্টগ্রামে শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত অক্সিজেন যাচ্ছে মেডিক্যাল অক্সিজেন হিসেবে হাসপাতালে


প্রকাশিত: ১১:২৩ ২৬ মে ২০২৬
চট্টগ্রামে শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত অক্সিজেন মেডিক্যাল অক্সিজেন হিসেবে হাসপাতালে সরবরাহের অভিযোগে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি নগরের আকবর শাহ এলাকার একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযানে এমন অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিল্পকারখানার অক্সিজেন রোগীদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
গত ১৮ মে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর নগরের আকবর শাহ এলাকার একটি অক্সিজেন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায়। সেখানে সংরক্ষিত সিলিন্ডারে থাকা অক্সিজেন শিল্পকারখানায় ব্যবহারের উপযোগী বলে নিশ্চিত হয় কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ রয়েছে, এসব অক্সিজেন কম দামে সংগ্রহ করে নতুন রং করে মেডিক্যাল অক্সিজেন হিসেবে বিভিন্ন হাসপাতালে সরবরাহ করা হচ্ছিল।
অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির কাছে মেডিক্যাল অক্সিজেন সরবরাহের বৈধ সনদও পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষের ধারণা, কেবল একটি প্রতিষ্ঠান নয়—হাসপাতাল এলাকার আশপাশে আরও কিছু দোকানে একই ধরনের অক্সিজেন বিক্রি হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে নজরদারি জোরদারের কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মেডিক্যাল অক্সিজেন এবং শিল্প অক্সিজেনের মূল উপাদান একই হলেও বিশুদ্ধতা ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে বড় পার্থক্য রয়েছে। চিকিৎসায় ব্যবহৃত অক্সিজেনের বিশুদ্ধতা সাধারণত ৯৯ শতাংশের বেশি হয় এবং এটি আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে প্রস্তুত করা হয়।
অন্যদিকে শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত অক্সিজেনে কার্বন মনোক্সাইড, কার্বন ডাই-অক্সাইডসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর উপাদান থাকতে পারে। এসব অক্সিজেন সাধারণত ওয়েল্ডিং, ধাতু কাটা ও শিল্প উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত হয়।
চিকিৎসকদের ভাষ্য, বর্তমানে দেশে শ্বাসতন্ত্রজনিত বিভিন্ন রোগের প্রকোপ রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে নিম্নমানের বা অবিশুদ্ধ অক্সিজেন রোগীদের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। এতে সংক্রমণ, ফুসফুসের জটিলতা, শ্বাসকষ্ট এমনকি দীর্ঘমেয়াদে গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।
ওষুধ প্রশাসন জানিয়েছে, চট্টগ্রামে বর্তমানে নির্দিষ্ট কয়েকটি প্রতিষ্ঠান অনুমোদন নিয়ে মেডিক্যাল অক্সিজেন সরবরাহ করছে। তবে অনুমোদনের বাইরে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম নিয়েও তদন্ত চলছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রোগীর জীবনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত এমন একটি বিষয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম মেনে নেওয়া যায় না। হাসপাতাল ও বাজার পর্যায়ে কঠোর তদারকি নিশ্চিত করার পাশাপাশি অবৈধ সরবরাহ বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
বিজ্ঞাপন
সর্বোচ্চ পঠিত - জাতীয়
- মুক্তির প্রথম দিনেই ১২৫ কোটি রুপি আয়, বক্স অফিসে রজনীকান্তের ‘জেলার ২’-এর ঝড়
- মধ্যরাতে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, আতঙ্ক
- নিলামে উঠছে মেসির বিশ্বকাপ উদযাপনের সেই ট্রফি, রয়েছে ৮ তারকার স্বাক্ষর
- লন্ডনের রাস্তায় অচেতন আমিরাতের রাজবধূ, পাশে অসহায় ৩ বছরের শিশু
- প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে সচিবালয়ে রাত কাটালেন প্রতিমন্ত্রী, আজ পরীক্ষা ৩ লাখ প্রার্থীর
- প্রায় এক মাস চিকিৎসা শেষে মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস
- ক্রিকেটারদের পাসপোর্ট-আইফোনসহ ৮ লাগেজ উধাও, তদন্তে পুলিশ
- ইরানে ‘মাদার অব অল বোম্বস’ ব্যবহারের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের, বাড়ছে উত্তেজনা
- নভেম্বরে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে রূপপুরের বিদ্যুৎ, দ্বিতীয় ইউনিট চালুর লক্ষ্য জুনে
- অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৩-০ ব্যবধানে ধবলধোলাই বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি আজ পৌঁছাচ্ছে বাংলাদেশে
- পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁসের দাবি, চাওয়া হয়েছে ৪ লাখ ডলার
- ৮ মাস পর চালু, দুই দিনের মাথায় ফের বন্ধ যমুনা সার কারখানা
- শেষ ম্যাচে গোল-অ্যাসিস্ট, সতীর্থদের ভালোবাসায় বিদায় মেসির
- জাতীয় দলের শিবির ছাড়ায় ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রোনালদো
- মেসির বিদায়ে রোনালদোর আবেগঘন বার্তা, জানালেন ‘পূর্ণ শ্রদ্ধা’
- অসংখ্য ডিসেম্বর আসবে-যাবে, শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন না: রাশেদ খাঁন
- সালাহউদ্দিনের সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন হাসনাতের, চাইলেন স্বচ্ছ হিসাব
- সাভারের বনগাঁওয়ে তিন দিনব্যাপী মশক নিধন কার্যক্রম শুরু
- নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম আবার বাড়ল, ১০ শলাকা এখন ৬৫ টাকা




