• সোমবার , ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ৬ আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডিজেলে লিটারপ্রতি প্রায় ৯০ টাকা লোকসান, জানাল বিপিসি

ডিজেলে লিটারপ্রতি প্রায় ৯০ টাকা লোকসান, জানাল বিপিসি

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১:৩৩ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় প্রতি লিটার ডিজেল বিক্রিতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) প্রায় ৯০ টাকা লোকসান হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম। তার ভাষ্য, এই পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা ছাড়া বিকল্প ছিল না।

সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর গণমাধ্যমকে বিপিসি চেয়ারম্যান এ কথা জানান। এর এক দিন আগে সরকার ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জানায়।

নতুন দাম সোমবার থেকেই কার্যকর হয়েছে। এখন প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১৩৫ টাকা। কেরোসিন বিক্রি হচ্ছে ১৫৫ টাকায়, পেট্রল ১৬০ এবং অকটেন ১৬৫ টাকায়। এর আগে ডিজেল ১১৫, কেরোসিন ১৩৫, পেট্রল ১৪০ ও অকটেন ১৪৫ টাকা লিটার ছিল।

কেন বাড়ানো হলো জ্বালানি তেলের দাম

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের ভাষ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাবে গত মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম এবং ফ্রেইট চার্জ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

সরকারের দাবি, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম দ্বিগুণের বেশি বাড়লেও জনস্বার্থ বিবেচনায় দেশে একই হারে মূল্য সমন্বয় করা হয়নি। এতে বিপিসির আর্থিক চাপ বেড়েছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান আন্তর্জাতিক বাজারদরে ডিজেল বিক্রি করতে বিপিসির লিটারপ্রতি লোকসান প্রায় ৮৯ টাকা। সেই হিসাবে দৈনিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১০৯ কোটি টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত ছয় মাসে বিপিসির প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকার অতিরিক্ত ব্যয় বা আর্থিক ক্ষতির কথা সরকারি নথি ও বিপিসির তথ্যেও উঠে এসেছে। সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি আমদানির অর্থসংস্থান নিয়ে চাপের কথাও সরকারকে জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিপিসি চেয়ারম্যানের ভাষ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে দেশের জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় না করলে সংস্থাটির আর্থিক ক্ষতি আরও বাড়ত। সেই চাপ কিছুটা কমাতেই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন