৪০ লক্ষ বছর আগে কেমন ছিল পূর্ব আফ্রিকা, কী খেত, কী ভাবে বাঁচত বাসিন্দারা? দাঁতের জীবাশ্মে মিলল বিস্ময়কর তথ্য


প্রকাশিত: ০১:৪৪ ২৩ এপ্রিল ২০২৬
আজকের মতো শুষ্ক নয়, বরং ঘন বনভূমি, নদী ও হ্রদে ভরপুর ছিল পূর্ব আফ্রিকার আফার অঞ্চল-এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে প্রাচীন দাঁতের জীবাশ্ম বিশ্লেষণে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, লক্ষ লক্ষ বছর আগের পরিবেশ, প্রাণীজগৎ ও আদিম মানুষের জীবনযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ লুকিয়ে রয়েছে দাঁতের এনামেলে।
গবেষণার নেতৃত্ব দেন যুক্তরাষ্ট্রের ডেটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক Zelalem Bedaso। ইথিওপিয়ার আফার অঞ্চল থেকে উদ্ধার হওয়া দাঁতের জীবাশ্ম পরীক্ষা করে তারা জানতে পেরেছেন, প্রায় ৪০ লক্ষ বছর আগে এই অঞ্চল ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপে।
বিজ্ঞানীরা ব্যাখ্যা করেছেন, সময়ের সঙ্গে মানুষের হাড় ক্ষয়ে গেলেও দাঁতের এনামেল প্রায় অপরিবর্তিত থাকে। ফলে সেই এনামেলে জমা থাকা রাসায়নিক উপাদান বিশ্লেষণ করে বোঝা যায়, প্রাচীন প্রাণীরা কী খেত এবং কী ধরনের পরিবেশে বাস করত।
এই গবেষণায় দেখা গেছে, তখনকার আফার অঞ্চলে বিস্তীর্ণ বনভূমি, তৃণভূমি, নদী ও হ্রদ ছিল। সেখানে বিচরণ করত জিরাফ, হাতি, জলহস্তী, ঘোড়া ও অ্যান্টিলোপের মতো প্রাণী। কেউ গাছের পাতা খেত, কেউ খেত ঘাস-আর সেই খাদ্যাভ্যাসের ছাপ স্পষ্টভাবে রয়ে গেছে তাদের দাঁতে।
প্রায় ২০ থেকে ৩০ লক্ষ বছর আগে ধীরে ধীরে এই অঞ্চলের পরিবেশ বদলাতে শুরু করে। বনভূমি কমে গিয়ে জায়গা নেয় তৃণভূমি ও সাভানা। এর ফলে প্রাণীদের দেহ ও দাঁতের গঠনে পরিবর্তন আসে। বিশেষ করে ঘাস খাওয়ার উপযোগী শক্ত দাঁত তৈরি হয় কিছু প্রাণীর।
একইভাবে আদিম মানব প্রজাতি Australopithecus afarensis-এর জীবনযাত্রার তথ্যও মিলেছে দাঁতের বিশ্লেষণে। গবেষণায় দেখা গেছে, তারা মূলত ফলমূল ও গাছের পাতা খেয়ে বেঁচে থাকত। ঘাস তাদের খাদ্যতালিকায় খুব বেশি ছিল না।
বিজ্ঞানীদের মতে, পরিবেশ পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে খাদ্যাভ্যাস ও জীবনধারাও বদলেছে। দাঁতের এই সূক্ষ্ম তথ্য বিশ্লেষণ করে মানব বিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলো নতুনভাবে বোঝা সম্ভব হচ্ছে।
এই গবেষণা প্রমাণ করে, কোটি বছর আগের পৃথিবীর ইতিহাস জানার ক্ষেত্রে দাঁতের জীবাশ্ম এক অমূল্য তথ্যভাণ্ডার, যা অতীতের হারিয়ে যাওয়া পৃথিবীকে নতুন করে সামনে নিয়ে আসছে।
বিজ্ঞাপন
- মুক্তির প্রথম দিনেই ১২৫ কোটি রুপি আয়, বক্স অফিসে রজনীকান্তের ‘জেলার ২’-এর ঝড়
- মধ্যরাতে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, আতঙ্ক
- নিলামে উঠছে মেসির বিশ্বকাপ উদযাপনের সেই ট্রফি, রয়েছে ৮ তারকার স্বাক্ষর
- লন্ডনের রাস্তায় অচেতন আমিরাতের রাজবধূ, পাশে অসহায় ৩ বছরের শিশু
- প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে সচিবালয়ে রাত কাটালেন প্রতিমন্ত্রী, আজ পরীক্ষা ৩ লাখ প্রার্থীর
- প্রায় এক মাস চিকিৎসা শেষে মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস
- ক্রিকেটারদের পাসপোর্ট-আইফোনসহ ৮ লাগেজ উধাও, তদন্তে পুলিশ
- ইরানে ‘মাদার অব অল বোম্বস’ ব্যবহারের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের, বাড়ছে উত্তেজনা
- নভেম্বরে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে রূপপুরের বিদ্যুৎ, দ্বিতীয় ইউনিট চালুর লক্ষ্য জুনে
- অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৩-০ ব্যবধানে ধবলধোলাই বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি আজ পৌঁছাচ্ছে বাংলাদেশে
- পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁসের দাবি, চাওয়া হয়েছে ৪ লাখ ডলার
- ৮ মাস পর চালু, দুই দিনের মাথায় ফের বন্ধ যমুনা সার কারখানা
- শেষ ম্যাচে গোল-অ্যাসিস্ট, সতীর্থদের ভালোবাসায় বিদায় মেসির
- জাতীয় দলের শিবির ছাড়ায় ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রোনালদো
- মেসির বিদায়ে রোনালদোর আবেগঘন বার্তা, জানালেন ‘পূর্ণ শ্রদ্ধা’
- অসংখ্য ডিসেম্বর আসবে-যাবে, শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন না: রাশেদ খাঁন
- সালাহউদ্দিনের সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন হাসনাতের, চাইলেন স্বচ্ছ হিসাব
- সাভারের বনগাঁওয়ে তিন দিনব্যাপী মশক নিধন কার্যক্রম শুরু
- নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম আবার বাড়ল, ১০ শলাকা এখন ৬৫ টাকা