কেশবপুরে আজাদকে বাদ দিয়ে শ্রাবণকে প্রার্থী করায় বিএনপি নেতাকর্মীদের ক্ষোভ


প্রকাশিত: ০৫:৫০ ১৪ নভেম্বর ২০২৫
যশোর–৬ (কেশবপুর) আসনে বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন তালিকা প্রকাশের পর তৈরি হয়েছে ব্যাপক আলোড়ন। দলীয় সিদ্ধান্তে কেন্দ্রীয় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণকে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। আর এতে ক্ষুব্ধ কেশবপুরের ত্যাগী ও অভিজ্ঞ নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশ।
দলের তৃণমূল নেতাদের অভিযোগ—
“২৫ বছর ধরে দলের সংকটে যিনি কেশবপুরে বিএনপিকে ধরে রেখেছেন, তাকে বাদ দিয়ে এমন একজনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, যার কেশবপুরের মানুষের জন্য কোনো দৃশ্যমান কাজ নেই।”
আজাদের দীর্ঘ ত্যাগ, অথচ মনোনয়ন অন্যজনের
১৯৯৭ সালে বিএনপির সবচেয়ে কঠিন সময়ে কেশবপুরে সংগঠনকে ধরে রেখেছিলেন আলহাজ্জ আবুল হোসেন আজাদ। পরে দলীয় হাই কমান্ড তাকে থানা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব দেয়।
নেতাকর্মীরা বলছেন—
আজাদ কোনো কর্মসূচিতে নেতাকর্মীদের কাছ থেকে কখনো অর্থ নেননি।
বরং দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে নিজের পকেট থেকে হাজার হাজার টাকা খরচ করেছেন।
দলের দূর্দিনে তিনি ধানের শীষ নিয়ে তিনবার নির্বাচন করেছেন।
২০০৮, ২০১৮ এবং ২০২০ সালের উপনির্বাচনে সরকার–সমর্থিত প্রশাসনের বাধার মুখে পরাজিত হন।
তার স্ত্রী রেহেনা আজাদ—কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি—তদুপরি নিজেও মাঠে থেকে সংগঠনে নারীদের নেতৃত্ব বৃদ্ধি করতে সফল হয়েছেন।
মনোনয়ন নিয়ে তৃণমূলে ক্ষোভ
দলের অভ্যন্তরে অনেকেই বলছেন—
“যে নেতার ত্যাগে কেশবপুরে বিএনপি টিকে আছে, নির্বাচন এলে তাকেই ভুলে যাওয়া হয়।”
তারা দাবি করছেন, একটি কুচক্রী মহল ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বিভ্রান্ত করে আজাদকে মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত করেছে। এমনকি অভিযোগ উঠেছে,
“তারা চায় না বিএনপি যশোর–৬ আসনে জিতুক।”
শ্রাবণকে প্রার্থী করায় উঠছে প্রশ্ন
কেশবপুরের তৃণমূল নেতাদের বক্তব্য—
“শ্রাবণ আওয়ামী পরিবারের সন্তান। কেশবপুরে বিএনপি, যুবদল বা ছাত্রদলের জন্য তার অবদান নেই। এলাকায় তার গ্রহণযোগ্যতা নেই। তাকে দিয়ে নির্বাচন করলে ত্যাগী নেতাদের মনোবল ভেঙে যাবে।”
এমনকি জানা গেছে, শ্রাবণকে প্রার্থী ঘোষণার পর এলাকায় আওয়ামী লীগের বেশ কিছু দাগী আসামি এবং অতীতে বিএনপি–জামায়াতের বিরুদ্ধে মামলায় জড়িত ব্যক্তিরাও এখন সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে আজাদের সাফল্য
ইতোমধ্যে যশোর–৬ আসন নিয়ে একটি মহল ষড়যন্ত্র করে মানববন্ধন, স্মারকলিপি দিয়ে হাইকোর্ট পর্যন্ত গিয়েছিল। কিন্তু আইনগত লড়াইয়ে সেই ষড়যন্ত্র ভেস্তে দেন আবুল হোসেন আজাদ।
এ কারণে তৃণমূল বলছে—
“যে নেতা দলের অস্তিত্ব রক্ষা করেছেন, তাকেই বঞ্চিত করা হলো।”
শেষ কথা
যশোর–৬ (কেশবপুর) বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীদের মতে, আজাদকে বাদ দিয়ে মনোনয়ন দিলে
দলে হতাশা বাড়বে, মাঠ–পর্যায়ের সংগঠনে দুর্বলতা তৈরি হবে এবং কেশবপুরে BNP–র জয়ের সম্ভাবনা কমে যাবে।
বিজ্ঞাপন
সর্বোচ্চ পঠিত - রাজনীতি
- ১ পয়সাও অতিরিক্ত বাসভাড়া নিলে বাতিল হবে রুট পারমিট
- স্কুলের সামনে শটগান নিয়ে কিশোরের হামলা, আহত ১১ শিক্ষার্থী
- রিমান্ডে নতুন তথ্য দিলেন প্রথম স্ত্রী, মরিয়মের মৃত্যু মামলায় তদন্তে বাড়ছে গুরুত্ব
- প্রেম, অভিমান আর ‘আকাশের ঠিকানায় চিঠি’: রুদ্র–তসলিমার অজানা গল্প
- ডিজেলে লিটারপ্রতি প্রায় ৯০ টাকা লোকসান, জানাল বিপিসি
- ‘তুই ছাড়া...’, শুভশ্রীর পোস্টে ফের আলোচনায় দেব-শুভশ্রী
- সম্প্রচারস্বত্বে স্বার্থের দ্বন্দ্বের অভিযোগ, তদন্তে পিএসজি সভাপতি
- হরমুজে মার্কিন MQ-1 ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি ইরানের
- জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- হাজারবার প্রার্থনা করেছি যেন পুরুষদেরও পিরিয়ড হয়: শ্রুতি হাসান
- মক্কা প্যাক্টে যোগদান বাংলাদেশের নিজস্ব বিষয়: জামায়াত আমির
- রাজ্জাক দেওয়ান স্মরণে গাইবেন বগা তালেবসহ ১৫ শিল্পী
- ডা. তাসনিম জারা: শিক্ষা, ক্যারিয়ার ও রাজনীতি
- অকালে হারানো বাংলা চলচ্চিত্রের চিরসবুজ মহানায়ক সালমান শাহ
- পাকিস্তানের হাসপাতালে এসি বিস্ফোরণ, ১৫ নবজাতকের মৃত্যু
- ব্রাজিলের সঙ্গে খেললেই বদলাবে না বাংলাদেশের ফুটবল, বললেন আমিনুল
- বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ইউনিয়নে হবে ‘হেলথ হাব’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- দেশজুড়ে আরও পাঁচ দিন টানা বৃষ্টির পূর্বাভাস
- এআই জগতের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করল টাইম
- দিল্লিতে আওয়ামী লীগ–সংশ্লিষ্টদের সেমিনারের অনুমতি দেয়নি পুলিশ




