তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে চবি শহীদ মিনারে মানববন্ধন ও মশাল মিছিল


প্রকাশিত: ০৮:১৫ ১৯ অক্টোবর ২০২৫
বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও বৈষম্যের প্রতিবাদে এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে “তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের পক্ষে সংহতি ও উত্তরবঙ্গে বৈষম্য” শীর্ষক এই মানববন্ধনের আয়োজন করে রংপুর ডিভিশন স্টুডেন্টস ইউনিটি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (Rangpur Division Students Unity, CU)।
মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ বৃহত্তর রংপুর বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। উপস্থিত বক্তারা বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা শুধু উত্তরবঙ্গ নয়, বরং পুরো বাংলাদেশের অর্থনীতি, কৃষি ও জীবিকার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি জাতীয় দাবি। দীর্ঘদিন ধরে উত্তরাঞ্চল অবহেলিত থেকে আসছে। সেচব্যবস্থা, কৃষি উন্নয়ন, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানে এই অঞ্চলের বঞ্চনা স্পষ্ট। তাই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন দেরি হলে কেবল উত্তরবঙ্গ নয়, পুরো দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে তারা মন্তব্য করেন।
কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করে উপস্থিত ছিলেন নবনির্বাচিত চাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সাঈদ বিন হাবিব। তিনি বলেন, “ভারত শুধু বাংলাদেশের শত্রু নয়, ভারত মানবতার শত্রু। ইন্টারিম সরকারকে ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত সকল চুক্তি জনগণের সামনে প্রকাশ করতে হবে। বাংলাদেশের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট চুক্তিসমূহ বহাল রাখতে হবে এবং বাকি সব চুক্তি বাতিল করতে হবে।” তার বক্তব্যে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা তুমুল করতালিতে সাড়া দেন।
মানববন্ধন শেষে শহীদ মিনার থেকে এক বিক্ষোভ মশাল মিছিল বের হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জিরো পয়েন্টে গিয়ে শেষ হয়। হাতে জ্বলন্ত মশাল আর কণ্ঠে স্লোগান— “তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন চাই, বৈষম্যের অবসান চাই”—প্রতিধ্বনিত হতে থাকে পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে।
আয়োজকরা জানান, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে উত্তরবঙ্গের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, কর্মসংস্থান তৈরি হবে এবং অভ্যন্তরীণ অভিবাসন কমবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই দেশের খাদ্যনিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক ভারসাম্য নিশ্চিত হবে। তারা দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে এই আন্দোলনে সংহতি জানানোর আহ্বান জানান।
মানববন্ধনের শেষাংশে অংশগ্রহণকারীরা প্রতিজ্ঞা করেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। তাদের কণ্ঠে প্রতিধ্বনিত হয় একটাই দাবি— “তিস্তা বাঁচাও, উত্তরবঙ্গ বাঁচাও, বাংলাদেশ বাঁচাও।”
বিজ্ঞাপন
সর্বোচ্চ পঠিত - জাতীয়
- অভিযোগ থেকে দায়মুক্তি পেতেই জামায়াত জোটে আসিফ: রাশেদ খাঁন
- দেশে ফিরেই আওয়ামী লীগকে লজ্জার রাজনীতি না করার বার্তা বাঁধনের
- জামানত ছাড়াই ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক, পাবেন যেসব তরুণ উদ্যোক্তা
- নাকভির হাত থেকে ট্রফি না নেওয়ার কারণ জানাল ভারত
- দোতলা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র নির্মাণ করছে উত্তর কোরিয়া
- উত্তরা থেকে জামালপুর আওয়ামী লীগ নেতা শাহীনুজ্জামান গ্রেপ্তার
- ডেভিড ইমনের সহযোগী ‘ডাবা হারুন’ গ্রেপ্তার
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ আনার লক্ষ্য সরকারের
- ১০ মাস পর ঢাকায় ফিরছে কাভিশ, সঙ্গে শিরোনামহীন ও মেঘদল
- ইসলামের নামে যারা সমাজে ঘৃণা ছড়ায়, তারা সর্বোচ্চ মাসুদ হওয়ার যোগ্য
- রাজ্জাক দেওয়ান স্মরণে গাইবেন বগা তালেবসহ ১৫ শিল্পী
- মক্কা প্যাক্টে যোগদান বাংলাদেশের নিজস্ব বিষয়: জামায়াত আমির
- প্রতিপক্ষের বাড়িতে অস্ত্র রেখে পুলিশকে ফোন, নিজেই ফাঁসলেন যুবক
- টেস্টোস্টেরন পরীক্ষায় কি লিঙ্গ নির্ধারণ সম্ভব? জানুন বিজ্ঞান কী বলে
- ভারতে ‘ভূত আতঙ্কে’ হোস্টেল ছাড়ল ৬০০ শিক্ষার্থী, চিকিৎসকদের ভিন্ন ব্যাখ্যা
- হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে ইরান
- ফের ‘জান্নাত’ নিয়ে আসছেন ইমরান হাশমি, আসছে ‘জান্নাত ৩’
- এনবিআর ভেঙে দুটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী
- ডা. তাসনিম জারা: শিক্ষা, ক্যারিয়ার ও রাজনীতি
- আখ চাষে বদলাচ্ছে কৃষকের ভাগ্য, খুলছে বাড়তি আয়ের পথ




