উলিপুর দিঘীরপাড়ে অতিথি পাখির কলতানে মুখরিত প্রকৃতি


প্রকাশিত: ০৩:৪০ ১৫ অক্টোবর ২০২৫
সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী উলিপুর গ্রামের দিঘীরপাড় এখন অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখরিত। প্রতি বছর শীতের আগমনের সঙ্গে সঙ্গেই দূর দেশ সাইবেরিয়া ও হিমালয়ের পাদদেশ থেকে উড়ে আসে শত শত পরিযায়ী পাখি। এদের আগমনে উলিপুর দিঘীরপাড় যেন নতুন প্রাণ ফিরে পায়।
দিঘীর স্বচ্ছ জলরাশি, চারপাশের সবুজ গাছপালা আর শান্ত প্রাকৃতিক পরিবেশ মিলে এটি হয়ে উঠেছে পাখিদের জন্য এক নিরাপদ আশ্রয়স্থল। স্থানীয়রা জানান, প্রতি বছর নভেম্বরের শুরু থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই এলাকা পরিণত হয় অতিথি পাখিদের স্বর্গরাজ্যে।
বালিহাঁস, সরালি, পানকৌড়ি, বক, ডাহুকসহ নানা প্রজাতির পরিযায়ী পাখি সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দিঘীর জলে ও আকাশে অবাধে বিচরণ করে। কখনও তারা ডানা মেলে উড়ে বেড়ায়, কখনও পানিতে ডুব দিয়ে খাদ্য সংগ্রহ করে। এসব দৃশ্য দেখতে ভিড় জমায় স্থানীয় মানুষ ও দূরদূরান্ত থেকে আসা প্রকৃতিপ্রেমীরা।
সকালের কোমল সূর্যের আলো যখন দিঘীর জলে পড়ে ঝিলমিল করে, তখন পাখিদের ঝাঁক আকাশে উড়ে বেড়ায়—সে এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্য। আবার বিকেলের শেষে সূর্যাস্তের লাল আভায় পাখিদের ওড়াউড়ি আর তাদের প্রতিচ্ছবি জলের বুকে এক অপূর্ব রূপকথার দৃশ্য তৈরি করে।
প্রকৃতিপ্রেমী ও আলোকচিত্রীরা বলেন, উলিপুর দিঘীরপাড় এখন শুধু স্থানীয়দের নয়, সারা দেশের প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে এক আকর্ষণীয় পর্যটন স্পটে পরিণত হয়েছে। এখানে পাখিদের কিচিরমিচির, জলরাশির তরঙ্গ আর শান্ত পরিবেশ মিলে এক স্নিগ্ধ প্রশান্তির আবহ তৈরি করে।
স্থানীয়দের দাবি, যদি প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই দিঘী এবং এর আশপাশের পরিবেশ রক্ষায় যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হয়, তবে এটি একটি দৃষ্টিনন্দন ইকো-ট্যুরিজম স্পটে রূপ নিতে পারে। এতে যেমন প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় থাকবে, তেমনি পর্যটন খাতেও যুক্ত হবে নতুন মাত্রা।
উলিপুর দিঘীরপাড় এখন পাখিদের কিচিরমিচির, বাতাসের মৃদু সুর আর প্রকৃতির নিসর্গে এক অনন্য প্রশান্তির ঠিকানা। শীতের এই মৌসুমে প্রকৃতি যেন এখানে নিজের সৌন্দর্যের উন্মোচন ঘটিয়েছে পাখির ডানায় ভর করে।
এমএনবিডি /আলামিন
বিজ্ঞাপন
সর্বোচ্চ পঠিত - দেশজুড়ে
- রোনালদোকে নভেম্বরেই পর্তুগাল দলে ফেরাতে চান ফুটবল ফেডারেশন সভাপতি
- নেপালে ফের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা, ভেসে গেল ঘরবাড়ি ও সেতু
- ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু সোমবার, বাড়ি বাড়ি যাবেন সরকারি কর্মীরা
- সাভারের বনগাঁওয়ে তিন দিনব্যাপী মশক নিধন কার্যক্রম শুরু
- অসংখ্য ডিসেম্বর আসবে-যাবে, শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন না: রাশেদ খাঁন
- জাতীয় দলের শিবির ছাড়ায় ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রোনালদো
- রিয়াদ বিমানবন্দরে তৃতীয় দফা হামলার দাবি হুথিদের, ক্ষতিগ্রস্ত বিমান
- পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁসের দাবি, চাওয়া হয়েছে ৪ লাখ ডলার
- মেসির বিদায়ে রোনালদোর আবেগঘন বার্তা, জানালেন ‘পূর্ণ শ্রদ্ধা’
- ইউরোপীয় পার্লামেন্টে ট্রাম্পের নগ্ন ভাস্কর্য ‘অরেঞ্জ প্লেগ’
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি আজ পৌঁছাচ্ছে বাংলাদেশে
- পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁসের দাবি, চাওয়া হয়েছে ৪ লাখ ডলার
- মাছ, মুরগি ও ডিমের বাজারে স্বস্তি নেই, বেকায়দায় নিম্নবিত্তরা
- শেষ ম্যাচে গোল-অ্যাসিস্ট, সতীর্থদের ভালোবাসায় বিদায় মেসির
- জাতীয় দলের শিবির ছাড়ায় ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রোনালদো
- মেসির বিদায়ে রোনালদোর আবেগঘন বার্তা, জানালেন ‘পূর্ণ শ্রদ্ধা’
- ৮ মাস পর চালু, দুই দিনের মাথায় ফের বন্ধ যমুনা সার কারখানা
- নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম আবার বাড়ল, ১০ শলাকা এখন ৬৫ টাকা
- অসংখ্য ডিসেম্বর আসবে-যাবে, শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন না: রাশেদ খাঁন
- সাভারের বনগাঁওয়ে তিন দিনব্যাপী মশক নিধন কার্যক্রম শুরু




