• বুধবার , ২৬ আগস্ট, ২০২৬ | ১১ ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকা–চট্টগ্রামের সচল কারখানায় প্রায় শতভাগ বেতন-বোনাস পরিশোধ

ঢাকা–চট্টগ্রামের সচল কারখানায় প্রায় শতভাগ বেতন-বোনাস পরিশোধ

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৩:১০ ২৭ মে ২০২৬

ঢাকা ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের সচল তৈরি পোশাক কারখানাগুলোর প্রায় শতভাগেই মার্চ ও এপ্রিল মাসের বেতন এবং ঈদ বোনাস ইতোমধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে। পাশাপাশি মে মাসের অগ্রিম বেতন পরিশোধেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা গেছে।

মঙ্গলবার (২৬ মে) পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি বিশেষ প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ঢাকা ও চট্টগ্রাম মিলিয়ে বর্তমানে মোট ২ হাজার ১৩৪টি সচল কারখানা রয়েছে। এর মধ্যে শতভাগ কারখানায় মার্চ মাসের বেতন পরিশোধ করা হয়েছে।

এপ্রিল মাসের বেতন পরিশোধের হার ৯৯ দশমিক ৭২ শতাংশে পৌঁছেছে, যা সংখ্যার হিসেবে ২ হাজার ১২৮টি কারখানা। একই সময়ে ৯৯ দশমিক ৫৮ শতাংশ বা ২ হাজার ১২৫টি কারখানায় ঈদ বোনাস দেওয়া হয়েছে।

মে মাসের অগ্রিম বেতন পরিশোধের ক্ষেত্রেও অগ্রগতি লক্ষ্য করা গেছে। এখন পর্যন্ত ৯৪ দশমিক ৮০ শতাংশ বা ২ হাজার ২৩টি কারখানা শ্রমিকদের অগ্রিম বেতন পরিশোধ করেছে।

আঞ্চলিকভাবে ঢাকায় ১ হাজার ৭৯৪টি চালু কারখানার মধ্যে ১ হাজার ৭৯০টিতে এপ্রিলের বেতন ও ঈদ বোনাস পরিশোধ করা হয়েছে। একই জোনে ১ হাজার ৭০৩টি প্রতিষ্ঠান মে মাসের অগ্রিম বেতন দিয়েছে।

চট্টগ্রাম জোনে ৩৪০টি সচল কারখানার মধ্যে ৩৩৮টিতে এপ্রিলের বেতন এবং ৩৩৫টিতে ঈদ বোনাস পরিশোধ করা হয়েছে। মে মাসের অগ্রিম বেতন পেয়েছে ৩২০টি কারখানা।

এদিকে ঈদের আগে শ্রমিকদের নির্বিঘ্নে বাড়ি ফেরা নিশ্চিত করতে কারখানাগুলোতে পর্যায়ক্রমে ছুটি দেওয়া হচ্ছে। তথ্য অনুযায়ী, ২৪ মে ৬ শতাংশ, ২৫ মে ৩৭ শতাংশ এবং ২৬ মে ৪৩ শতাংশ শ্রমিক ঢাকা ছেড়েছেন। অবশিষ্ট ১৪ শতাংশ শ্রমিক ২৭ মে ছুটি শেষে বাড়ি ফিরবেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরকারের সহযোগিতা এবং মালিক-শ্রমিক পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগের ফলে এবার সময়মতো বেতন-বোনাস পরিশোধ সম্ভব হয়েছে, যা ঈদের আগে শ্রমিকদের স্বস্তি ও স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত করেছে।

বিজ্ঞাপন