• বুধবার , ২৬ আগস্ট, ২০২৬ | ১০ ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতিসংঘে ট্রাম্পকে নিয়ে হাসাহাসি, এস্কেলেটরে উঠতেই হঠাৎ থেমে গেল সিঁড়ি!

জাতিসংঘে ট্রাম্পকে নিয়ে হাসাহাসি, এস্কেলেটরে উঠতেই হঠাৎ থেমে গেল সিঁড়ি!

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৫:০১ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে হাজির হন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। প্রবেশের সময় চলন্ত সিঁড়ি (এসকেলেটর) দিয়ে উঠতে গিয়ে হঠাৎই অপ্রত্যাশিতভাবে সেটি থেমে যায়। ঘটনাটি সেখানে উপস্থিত বিশ্বনেতা ও কূটনীতিকদের নজরে আসতেই আলোচনার ঝড় ওঠে।

জাতিসংঘ কর্তৃপক্ষ প্রাথমিক তদন্তে জানিয়েছে, এই বিভ্রাটের জন্য দায়ী হতে পারেন ট্রাম্পের নিজস্ব ভিডিওগ্রাফার। তিনি এসকেলেটরে উল্টোমুখী হয়ে ভিডিও ধারণ করার সময় অনিচ্ছাকৃতভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা (সেফটি ফাংশন) সক্রিয় করে ফেলেন। এতে সিঁড়িটি সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ হয়ে যায়। জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, এই সেফটি ফাংশন এমনভাবে তৈরি, যাতে কেউ দুর্ঘটনাক্রমে যন্ত্রাংশে আটকা পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে সিঁড়ি থেমে যায়।

ঘটনার পরপরই ট্রাম্প নিজের বক্তব্যে রসিকতা করে বলেন,
“জাতিসংঘ থেকে আমি দুটি জিনিস পেয়েছি—একটি খারাপ চলন্ত সিঁড়ি আর একটি খারাপ টেলিপ্রম্পটার।”
তার এই মন্তব্যে উপস্থিত বিশ্বনেতাদের অনেকেই হেসে ওঠেন।

তবে হোয়াইট হাউস এই ঘটনাকে একেবারেই হালকাভাবে নেয়নি। প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, “যদি জাতিসংঘের কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে চলন্ত সিঁড়ি বন্ধ করে থাকে, তবে তাকে সঙ্গে সঙ্গে বরখাস্ত করতে হবে এবং তদন্ত শুরু করা উচিত।”

শুধু এসকেলেটর নয়, সেদিন ট্রাম্প আরেকটি সমস্যায় পড়েন। সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দেওয়ার সময় তাঁর টেলিপ্রম্পটারও কাজ করছিল না। এ প্রসঙ্গেও ট্রাম্প মজা করে বলেন, “যিনি এই টেলিপ্রম্পটার চালাচ্ছেন, তিনি কিন্তু বড় সমস্যায় আছেন।”

এদিকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রেসিডেন্ট আনালেনা বেয়ারবক পরে পরিষ্কার করে জানান, “জাতিসংঘের টেলিপ্রম্পটার ঠিকঠাক কাজ করছে। হোয়াইট হাউস নিজস্ব টেলিপ্রম্পটার ব্যবহার করেছিল।”

সব মিলিয়ে ট্রাম্পের জাতিসংঘ সফর শুধু রাজনৈতিক বক্তব্য নয়, বরং প্রযুক্তিগত বিভ্রাট আর হাস্যরসেরও খোরাক জুগিয়েছে।

বিজ্ঞাপন