• বৃহস্পতিবার , ২৭ আগস্ট, ২০২৬ | ১১ ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

“ইরানের নৌবাহিনী শেষ, সবই সমুদ্রের তলায়” ম্পের দাবি

“ইরানের নৌবাহিনী শেষ, সবই সমুদ্রের তলায়” ম্পের দাবি

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৭:০৮ ১১ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে ইরানের নৌবাহিনীর বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক হামলার দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump বলেছেন, সাম্প্রতিক মার্কিন হামলায় ইরানের নৌবাহিনী কার্যত ধ্বংস হয়ে গেছে এবং তাদের বহু নৌযান সমুদ্রের তলদেশে পড়ে আছে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম Truth Social–এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, গত কয়েক ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের অন্তত ১০টি মাইন স্থাপনকারী নৌযান ধ্বংস করা হয়েছে। পরে United States Central Command (সেন্টকম) জানায়, ধ্বংস হওয়া নৌযানের সংখ্যা বেড়ে ১৬টিতে দাঁড়িয়েছে। সেন্টকম প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে হরমুজ প্রণালীর কাছে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কয়েকটি নৌযান বিস্ফোরণের দৃশ্যও দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

এর আগে Iran হুমকি দিয়েছিল, উপসাগরীয় কোনো দেশের তেল যেন গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ Strait of Hormuz দিয়ে যেতে না পারে, সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর ফলে এই জলপথে জাহাজ চলাচল নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে এবং বিশ্ব তেলের বাজারেও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।

ট্রাম্প বলেন, ইরান সত্যিই মাইন স্থাপন শুরু করেছে কি না সে বিষয়ে তার কাছে নিশ্চিত তথ্য নেই। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি হরমুজ প্রণালীতে মাইন বসানো হয়ে থাকে এবং তা দ্রুত সরিয়ে নেওয়া না হয়, তাহলে ইরান এমন সামরিক পরিণতির মুখে পড়বে যা আগে কখনো দেখা যায়নি। অন্যদিকে, যদি ইরান মাইন সরিয়ে নেয়, তাহলে সেটি একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মার্কিন প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও Israel–এর যৌথ সামরিক অভিযান Operation Epic Fury–এর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ইরানের নৌবাহিনীর সক্ষমতা ধ্বংস করা। ট্রাম্প রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাদের জানান, এখন পর্যন্ত মার্কিন হামলায় ইরানের অন্তত ৪৬টি নৌযান ধ্বংস হয়েছে, যার মধ্যে কয়েকটি অত্যাধুনিক যুদ্ধজাহাজও রয়েছে।

সবশেষে ট্রাম্প মন্তব্য করেন, “ইরানের নৌবাহিনী শেষ। তাদের সব নৌযান এখন সমুদ্রের তলায় পড়ে আছে।” তবে এসব দাবির বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি Iran।

বিজ্ঞাপন