• সোমবার , ২০ এপ্রিল, ২০২৬ | ৭ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেত্রকোণায় পুলিশের ভাড়িতে ডাকাত দলের হানা, ১০ ভরি স্বর্ণালংকার লুট

নেত্রকোণায় পুলিশের ভাড়িতে ডাকাত দলের হানা, ১০ ভরি স্বর্ণালংকার লুট

তোফায়েল আলম ভূঁইয়া: দুর্গাপুর প্রতিনিধি
তোফায়েল আলম ভূঁইয়া: দুর্গাপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১০:৫৮ ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

নেত্রকোণার মদন উপজেলায় চেতনানাশক ওষুধ ব্যবহার করে এক পুলিশ পরিদর্শকের বাড়িতে ভয়াবহ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এসময় ডাকাত দল ১০ ভরি স্বর্ণালংকার সহ বিভিন্ন সামগ্রী লুট করে, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ২৪ লাখ টাকা।

গত রবিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে মদন পৌর সদরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী পুলিশ পরিদর্শক মো. আজহারুল ইসলাম বর্তমানে ঢাকায় নৌ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে কর্মরত রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডাকাত দল প্রথমে পুলিশ পরিদর্শকের ছোট ভাই জাকু মিয়াকে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে। পরে তাকে অসুস্থ অবস্থায় বাড়িতে নিয়ে এসে তার স্ত্রী নাসরিন আক্তারকে ডেকে দরজা খুলতে বাধ্য করে। জাকু মিয়া অসংলগ্ন কথা বলতে থাকলে নাসরিন আক্তারের সন্দেহ হয়। এ সময় ডাকাতরা তাকে ও তার স্বামীকে হত্যার হুমকি দেয়।

পরে ডাকাত দল ঘরের আলমারির তালা ভেঙে ১০ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে নেয়। একই সঙ্গে আশপাশের কয়েকটি বাড়িতেও তালা ঝুলিয়ে দেয় সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের সদস্যরা।

ভুক্তভোগী নাসরিন আক্তার বলেন, রাত আনুমানিক ১টার দিকে কয়েকজন লোক আমার স্বামীকে অসুস্থ অবস্থায় নিয়ে এসে দরজা খুলতে বলে। আমি দরজা খুলতেই তারা ঘরে ঢুকে পড়ে। আমি কথা বলতে চাইলে তারা আমার দুই হাত বেঁধে ফেলে এবং অস্ত্র দেখিয়ে হত্যার হুমকি দেয়। তিনি জানান, দুই থেকে তিনজন ডাকাতকে তিনি চিনতে পেরেছেন।

জাকু মিয়া জানান, রাত নয়টার দিকে এক বন্ধু আমাকে চা পান করায়। পরে সে আমাকে গ্রামের একটি পুকুরপাড়ে নিয়ে যায়। এরপর আর কিছু মনে নেই। রাত ১টার দিকে আমার জ্ঞান ফিরলে তারা আমাকে বাসায় নিয়ে আসে। এরপর কী হয়েছে, তা আমি জানি না।

মদন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাসনাত জামান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

বিজ্ঞাপন

https://moreshopbd.com/