দ্য ইকোনোমিস্টের প্রতিবেদন বাংলাদেশে অস্থিরতার সুযোগে লাভবান হবে ভারতের পোশাক শিল্প


প্রকাশিত: ০৬:০৭ ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪
১৯৭৮ সালে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হয় প্রথম রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক কারখানা। এরপর এই পোশাক শিল্পই দেশের অর্থনীতির মূলকেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। দেশের মোট জিডিপির ১০ শতাংশ আসে পোশাক খাত থেকে। এরমধ্যে শুধুমাত্র গত বছর ৫৪ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে ঢাকা। বিশ্বে পোশাক রপ্তানির দিক দিয়ে বাংলাদেশের উপরে আছে শুধুমাত্র চীন।
তবে গত জুলাই ও আগস্টে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলনের পর পোশাক শিল্পের চাকা থমকে যায়। হাসিনার পতনের মাধ্যমে আন্দোলন শেষ হলেও এখনো এই খাতে অস্থিরতা রয়ে গেছে। পোশাক শ্রমিকদের বিভিন্ন দাবিদাওয়ার কারণে উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে। এছাড়া গ্যাস সংকটের কারণেও কমেছে উৎপাদন।
বাংলাদেশে এই অস্থিরতার সুযোগে ভারতের পোশাক শিল্প লাভবান হতে পারবে? এমন প্রশ্ন অনেকের। এ বিষয়টি এক প্রতিবেদনে বিশ্লেষণ করেছে ব্রিটিশ সাপ্তাহিক পত্রিকা দ্য ইকোনোমিস্ট।
পত্রিকাটি বলেছে, ভারত হলো বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ তুলা উৎপাদানকারী দেশ। এসব তুলা বাংলাদেশে রপ্তানি করে তারা। তবে ভারতে অনেক তুলা উৎপাদন হলেও তৈরি পোশাক খাতের দিক দিয়ে দেশটি বাংলাদেশের চেয়ে অনেক পিছিয়ে আছে।
তবে ভারতের ত্রিপুরার রাজ্যের কয়েকটি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, বাংলাদেশে অস্থিরতার কারণে তারা নতুন করে ৫৪ মিলিয়ন ডলারের অর্ডার পেয়েছে। নয়াদিল্লির বাইরের আরেকটি গ্রুপ জানিয়েছে গত আগস্টে তারা স্প্যানিশ ফ্যাশন ফার্ম জারার কাছ থেকে ১৫ শতাংশ বেশি অর্ডার পেয়েছে।
কিন্তু বাংলাদেশের পোশাক শিল্পকে এখনই টেক্কা দেওয়ার সক্ষমতা ভারতের নেই বলে জানিয়েছেন শিল্প বিশ্লেষক মেহেদি মাহবুব। তিনি বলেছেন, বর্তমানে যে পরিস্থিতি চলছে সেটি চলে যাবে। ইতিমধ্যে শ্রমিকরা কারখানায় ফিরেছেন এবং উৎপাদন বাড়ছে। এছাড়া পোশাক খাতে যেসব প্রতিযোগী আছে তাদের চেয়ে বাংলাদেশে বিভিন্ন দিকে এগিয়ে আছে। যারমধ্যে অন্যতম হলো কম মজুরিসম্পন্ন শ্রমিক। এমনকি বাংলাদেশের পোশাককেই ইউরোপের বাজারগুলো প্রাধান্য দিয়ে থাকে।
তিনি আরও বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ফ্যাশন ব্র্যান্ডগুলো বাংলাদেশের ভবিষ্যত নিয়ে ‘সতর্কমূলক আশাবাদী’ অবস্থানে আছে।
আরেক বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে বাংলাদেশের সঙ্গে পোশাক শিল্পে পাল্লা দেওয়ার সক্ষমতা ভারতের নেই। তিনি বলেছেন, ভারতে ইলেকট্রনিকের মতো মূলধন নির্ভর খাতের উপর বেশি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। পোশাক শিল্পের মতো শ্রমিক নির্ভর খাতে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। তিনি জানিয়েছেন, ২০১৬ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ভারতের পোশাক রপ্তানির মূল্য কমেছে ১৫ শতাংশ। সেখানে বাংলাদেশের বেড়েছে ৬৩ শতাংশ।
বিজ্ঞাপন
সর্বোচ্চ পঠিত - অর্থ ও বাণিজ্য
- হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসন, স্বৈরাচার বিতর্ক ও পতনের গল্প
- টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলার শুনানি পিছিয়ে জানুয়ারিতে
- বিয়ের পাঁচ মাসের মাথায় বিচ্ছেদের ঘোষণা র্যাপার বাদশার
- ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগকে ফেরাতে জামায়াত-এনসিপির লংমার্চের ঘোষণা: রাশেদ খাঁন
- বার্সেলোনার ৯১ বছরের পুরোনো রেকর্ড ভাঙলেন লামিনে ইয়ামাল
- এআই জগতের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করল টাইম
- বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও জোরদারের আশাবাদ এলজিআরডি মন্ত্রীর
- বরমী ব্রিজের অধিগ্রহণের টাকা নিয়ে হয়রানি-চাঁদাবাজির অভিযোগ, মানববন্ধন
- হাদি হত্যায় মূল অভিযুক্ত ফয়সাল ও তার স্ত্রীর বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা
- নিতম্বে চোট পেয়ে এক মাসের বিরতি, শিগগিরই শুটিংয়ে ফিরছেন রাশ্মিকা
- ১০ দিনের যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ অধিবেশনে ভাষণ
- বিপিএল এ বছর নাও হতে পারে: তামিম ইকবাল
- নাসিরুদ্দিন শাহকে ‘শিয়াল’ বলে কঙ্গনা রানাওয়াতের কটাক্ষ
- রুহুল কবীর রিজভী কে? শিক্ষা, রাজনৈতিক জীবন ও বর্তমান দায়িত্ব
- প্রতিপক্ষের বাড়িতে অস্ত্র রেখে পুলিশকে ফোন, নিজেই ফাঁসলেন যুবক
- ‘পশ্চিমবঙ্গকে কারাগারে পরিণত করেছে বিজেপি’, অভিযোগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের
- গণভোটের রায় প্রতিষ্ঠিত হলে অলি আহমেদ রাষ্ট্রপতি হতেন: জামায়াত
- কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ১৩২, জরুরি অবস্থা জারি
- শীর্ষ মাদক কারবারিদের তালিকা হচ্ছে, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- অবশেষে কার্যকর হলো আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা সৈকতের পদত্যাগ, বিসিবির সঙ্গে চুক্তির ইতি




