• শুক্রবার , ১৭ জুলাই, ২০২৬ | ২ শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন কি হালাল নাকি হারাম? মুফতি তাকি উসমানির নতুন ফতোয়া

ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন কি হালাল নাকি হারাম? মুফতি তাকি উসমানির নতুন ফতোয়া

ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন কি হালাল নাকি হারাম? মুফতি তাকি উসমানির নতুন ফতোয়া

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:২১ ১৭ জুলাই ২০২৬

ক্রিপ্টোকারেন্সির বৈধতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ইসলামি বিশ্বের আলেমদের মধ্যে আলোচনা ও মতপার্থক্য রয়েছে। এরই মধ্যে পাকিস্তানের প্রখ্যাত ইসলামি স্কলার ও দারুল উলুম করাচির প্রেসিডেন্ট মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানি ক্রিপ্টোকারেন্সি কেনাবেচাকে শরিয়াহর দৃষ্টিতে অবৈধ বা ‘হারাম’ বলে একটি বিস্তারিত ফতোয়া দিয়েছেন।

ফতোয়ায় বলা হয়েছে, ইসলামি আইন অনুযায়ী কোনো সম্পদকে বৈধ ‘মাল’ হিসেবে বিবেচিত হতে হলে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়। মুফতি তাকি উসমানির মতে, বর্তমান প্রচলিত ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলো এসব শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় এগুলোকে শরিয়াহসম্মত সম্পদ হিসেবে গণ্য করা যায় না।

তিনি উল্লেখ করেন, বিটকয়েন, ইউএসডিটি, স্টেবলকয়েনসহ অন্যান্য ডিজিটাল টোকেন মূলত ভার্চুয়াল অস্তিত্বের ওপর নির্ভরশীল এবং এগুলোর মধ্যে ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গিতে স্বীকৃত প্রকৃত মালিকানার বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায় না। তাই এসব সম্পদের কেনাবেচা বা এর মাধ্যমে লেনদেনকে বৈধ বাণিজ্য হিসেবে গ্রহণ করার সুযোগ নেই বলে ফতোয়ায় উল্লেখ করা হয়েছে।

ফতোয়ায় আরও বলা হয়, নাম ভিন্ন হলেও ভার্চুয়াল কারেন্সি, ক্রিপ্টো টোকেন বা স্টেবলকয়েন—সব ধরনের ডিজিটাল মুদ্রার ক্ষেত্রেই একই শরিয়াহ নীতিমালা প্রযোজ্য হবে। এসব সম্পদে বিনিয়োগ, ট্রেডিং কিংবা পণ্য কেনাবেচার ক্ষেত্রে ইসলামি বৈধতা নেই বলে মত দেওয়া হয়েছে।

মুফতি তাকি উসমানির এই অবস্থান ক্রিপ্টোকারেন্সির ধর্মীয় বৈধতা নিয়ে চলমান বৈশ্বিক বিতর্কে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। তবে উল্লেখ্য, বিভিন্ন দেশের ইসলামি স্কলারদের মধ্যে এ বিষয়ে ভিন্নমতও রয়েছে; কেউ কেউ নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে ক্রিপ্টোকারেন্সিকে বৈধ সম্পদ হিসেবে বিবেচনার সুযোগ দেখেছেন।

সূত্র: সামা টিভি

বিজ্ঞাপন