• মঙ্গলবার , ২৫ আগস্ট, ২০২৬ | ১০ ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

“বিপজ্জনক ইরানি ড্রোনে হতাশ মার্কিন নৌবাহিনী, নিরাপত্তা প্রশ্নে শঙ্কা”

“বিপজ্জনক ইরানি ড্রোনে হতাশ মার্কিন নৌবাহিনী, নিরাপত্তা প্রশ্নে শঙ্কা”

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:১৬ ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে আরব সাগরে মার্কিন নৌবাহিনী ভূপাতিত করেছে একটি ইরানি ড্রোন। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের দিকে আগ্রাসীভাবে এগিয়ে আসায় শাহেদ-১৩৯ ড্রোনটি আত্মরক্ষার্থে ধ্বংস করা হয়েছে।

মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের দাবি, ড্রোনটি কোনো সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে বিপজ্জনকভাবে রণতরীর দিকে এগিয়ে আসছিল। এফ-৩৫সি যুদ্ধবিমানের মাধ্যমে ড্রোনটি গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে। এই ঘটনার সময় রণতরীটি আন্তর্জাতিক জলসীমায়, ইরানের দক্ষিণ উপকূল থেকে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিল। কোনো মার্কিন সেনা হতাহত হয়নি এবং রণতরীরও ক্ষতি হয়নি।

ইরানের পক্ষ থেকে সরাসরি কোনো আগ্রাসনের স্বীকারোক্তি না থাকলেও, তাদের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক জলসীমায় নজরদারি মিশনে থাকা একটি ড্রোনের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পারমাণবিক আলোচনার প্রস্তুতির সময়ে এই সামরিক সংঘাত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে। ড্রোন ভূপাতিতের কয়েক ঘণ্টা পর হরমুজ প্রণালিতে একটি মার্কিন পতাকাবাহী বাণিজ্যিক জাহাজকে ইরানি বোট ও ড্রোন দিয়ে হয়রানির অভিযোগও উঠে।

ইরান গত এক দশকে ড্রোন প্রযুক্তিতে ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে। শাহেদ-১৩৯ সহ শাহেদ ড্রোন পরিবারের ড্রোনগুলো দীর্ঘ সময় আকাশে থাকতে পারে এবং লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। এছাড়া মোহাজের-১০, কামিন-২২ ও অন্যান্য জেট ইঞ্জিনচালিত ড্রোন ইরানের সামরিক সক্ষমতাকে বহুগুণ বাড়িয়েছে। ক্রমবর্ধমান ড্রোন বহরের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন পশ্চিমা নৌবাহিনী নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন।

বিজ্ঞাপন