• শনিবার , ১৮ এপ্রিল, ২০২৬ | ৫ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হরমুজ প্রণালি ব্যবহারে টোল বসাতে যাচ্ছে ইরান-ওমান

হরমুজ প্রণালি ব্যবহারে টোল বসাতে যাচ্ছে ইরান-ওমান

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:২২ ৮ এপ্রিল ২০২৬

যুদ্ধবিরতির প্রেক্ষাপটে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ Strait of Hormuz ব্যবহারকারী জাহাজ থেকে ট্রানজিট ফি বা টোল আদায়ের পরিকল্পনা করছে ইরান ও ওমান। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতির সময় এই নৌপথ ব্যবহারকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর নির্দিষ্ট হারে ফি আরোপে দুই দেশ নীতিগতভাবে একমত হয়েছে।

এই যুদ্ধবিরতি আলোচনায় মধ্যস্থতা করেন Shehbaz Sharif। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের এই সাময়িক সমঝোতার মধ্যেই এমন অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা সামনে এসেছে।

ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজের তথ্য অনুযায়ী, এই প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ থেকে সংগৃহীত অর্থ পুনর্গঠন কাজে ব্যয় করা হবে। জানা গেছে, প্রতিটি জাহাজের কাছ থেকে সর্বোচ্চ প্রায় ২০ লাখ ডলার পর্যন্ত ফি নেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে, যদিও এখনো কোনো জাহাজ এই অর্থ পরিশোধ করেছে কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

যুদ্ধ শুরুর পর থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে জাহাজ চলাচল ব্যাপকভাবে কমে গেছে। বিভিন্ন ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের আগের তুলনায় বর্তমানে মাত্র প্রায় ৫ শতাংশ জাহাজ এই রুট ব্যবহার করছে। তবে কিছু তেলবাহী ট্যাঙ্কার বিশেষ অনুমতির মাধ্যমে চলাচল করতে পারছে।

যুদ্ধবিরতি নিয়ে ভিন্নমত

এদিকে, যুদ্ধবিরতির আওতায় লেবানন অন্তর্ভুক্ত নয় বলে জানিয়েছে Benjamin Netanyahu-এর কার্যালয়। এক বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর সিদ্ধান্তকে সমর্থন করলেও ইরানকে অবশ্যই প্রণালিটি খুলে দিতে হবে এবং সব ধরনের হামলা বন্ধ করতে হবে।

তবে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে আগে বলা হয়েছিল, এই যুদ্ধবিরতির আওতায় লেবাননও অন্তর্ভুক্ত থাকবে—যা ইসরায়েলের অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

নিজেদের বিজয় দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

যুদ্ধবিরতির পর White House একে নিজেদের কূটনৈতিক ও সামরিক সাফল্য হিসেবে দাবি করেছে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি Karoline Leavitt এক বিবৃতিতে বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্বেই এই অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে।

তিনি জানান, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে পরিচালিত সামরিক অভিযানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র তাদের মূল লক্ষ্য অর্জন করেছে, যা পরবর্তীতে কূটনৈতিক আলোচনার পথ সুগম করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, Strait of Hormuz দিয়ে টোল আরোপের সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক বাণিজ্য ও জ্বালানি বাজারে নতুন প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে তেল পরিবহন খাতে এর বড় ধরনের অর্থনৈতিক প্রতিক্রিয়া দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

https://moreshopbd.com/