• মঙ্গলবার , ০৬ অক্টোবর, ২০২৬ | ২০ আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০ বছরের সম্পর্কের ইতি, আলাদা হচ্ছেন প্রীতম-শেহতাজ

১০ বছরের সম্পর্কের ইতি, আলাদা হচ্ছেন প্রীতম-শেহতাজ

বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০১:০৭ ৫ অক্টোবর ২০২৬

দীর্ঘ প্রায় এক দশকের সম্পর্কের পর আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা প্রীতম হাসান এবং মডেল-অভিনেত্রী শেহতাজ মুনিরা হাশেম। পারস্পরিক বোঝাপড়ার কিছু বড় পার্থক্যের কারণে তারা বিবাহবিচ্ছেদের পথে এগোচ্ছেন বলে জানিয়েছেন দুজনই।

রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে নিজেদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলাদা পোস্ট দিয়ে সিদ্ধান্তের কথা জানান প্রীতম ও শেহতাজ। তারা জানিয়েছেন, হঠাৎ করে নয়; দীর্ঘ আলোচনা ও চিন্তাভাবনার পর দুই পরিবারের সমর্থন নিয়েই এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন।

দুজনের বক্তব্য অনুযায়ী, একসঙ্গে কাটানো সময়, স্মৃতি ও অভিজ্ঞতার জন্য তারা কৃতজ্ঞ। একে অপরের প্রতি যত্ন, সম্মান ও শুভকামনাও থাকবে। তবে সময়ের সঙ্গে তারা উপলব্ধি করেছেন, পারস্পরিক বোঝাপড়ার কিছু পার্থক্যের কারণে আলাদা পথে এগিয়ে যাওয়াই তাদের জন্য ভালো হবে।

তারা আরও জানিয়েছেন, পরিবারের সম্মতিতে বর্তমানে বিবাহবিচ্ছেদের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে জীবনের এই পরিবর্তনের সময়ে বন্ধু, সহকর্মী, ভক্ত ও গণমাধ্যমের কাছে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় রাখার অনুরোধও জানিয়েছেন এই তারকা জুটি।

‘জাদুকর’ থেকে শুরু

প্রীতম ও শেহতাজের পরিচয় হয়েছিল ‘জাদুকর’ গানের মিউজিক ভিডিওতে একসঙ্গে কাজ করার সময়। সেখান থেকে তাদের বন্ধুত্ব ধীরে ধীরে প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয়। বিয়ের আগে দীর্ঘদিন সম্পর্কের বিষয়টি ব্যক্তিগত রেখেছিলেন তারা।

২০২২ সালের অক্টোবরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে বিয়ে করেন প্রীতম ও শেহতাজ। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বিয়ের তারিখ ২৮ ও ২৯ অক্টোবর—দুইভাবেই উল্লেখ করা হয়েছে।

বিয়ের পর বিভিন্ন সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একসঙ্গে কাটানো মুহূর্তও ভাগ করে নিয়েছেন তারা। তবে প্রায় চার বছরের দাম্পত্যের পর এবার আনুষ্ঠানিকভাবে আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানালেন এই জুটি।

বিচ্ছেদের কারণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা শুরু হলেও দুজনের প্রকাশিত বক্তব্যের বাইরে নির্দিষ্ট কোনো কারণ নিশ্চিত করা হয়নি। তাদের ভাষ্যে, মূল বিষয়টি পারস্পরিক বোঝাপড়ার পার্থক্য। তাই অসমর্থিত কোনো ব্যক্তিগত গুঞ্জনকে বিচ্ছেদের কারণ হিসেবে নিশ্চিতভাবে দেখার সুযোগ নেই।

বিজ্ঞাপন