সীমিত আয়ের মানুষের জন্য মানসম্মত বাসস্থান নিশ্চিতের অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর


প্রকাশিত: ১২:৪৩ ৫ অক্টোবর ২০২৬
সীমিত আয়ের মানুষের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত বাসস্থান নিশ্চিত করাকে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার হিসেবে তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে পরিকল্পিত নগরায়ণ, আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং শহরের ওপর অতিরিক্ত জনচাপ কমাতে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ দেশে প্রতিটি মানুষের জন্য মর্যাদাপূর্ণ ও নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করা সহজ কাজ নয়। তবে মানুষের মৌলিক সেবা ও বাসস্থানের অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
পরিকল্পিত নগরায়ণের অংশ হিসেবে দেশের সব জেলার জন্য মাস্টারপ্ল্যান তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। সরকারের লক্ষ্য শুধু কয়েকটি নির্দিষ্ট শহর বা অঞ্চলকে কেন্দ্র করে উন্নয়ন নয়; বরং আঞ্চলিক উন্নয়ন ও বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে দেশের সব এলাকায় উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দেওয়া।
প্রধানমন্ত্রীর মতে, শহরাঞ্চলে স্বাভাবিক ধারণক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি মানুষের বসবাস তৈরি করেছে নানা চাপ। তাই নিরাপদ বাসস্থান নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিকল্পিত নগর ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা জরুরি।
শহরের ওপর মানুষের চাপ কমাতে যোগাযোগব্যবস্থা আরও দ্রুত, সাশ্রয়ী ও নিরাপদ করার পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলে নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে। এ ধরনের পদক্ষেপ বাস্তবায়নের কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।
তারেক রহমান বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি আবাসন খাতেও নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। তারপরও সবার জন্য টেকসই ও মানসম্মত বাসস্থান নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।
তবে সরকারের একার পক্ষে দেশের প্রতিটি মানুষের আবাসন চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। এ লক্ষ্য অর্জনে বেসরকারি খাতকে আরও সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
পরিকল্পিত নগরায়ণের অংশ হিসেবে ব্লকভিত্তিক আবাসন, পর্যাপ্ত খেলার মাঠ এবং নির্ধারিত এলাকায় শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন তারেক রহমান।
বিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তিন দিনব্যাপী আবাসন মেলার উদ্বোধন করেন। মেলায় আবাসন ও নির্মাণ খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থাগুলো অংশ নেয়।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এবারের বিশ্ব বসতি দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’।
বিজ্ঞাপন
সর্বোচ্চ পঠিত - জাতীয়
- নারী এল ক্লাসিকোতে বার্সার তাণ্ডব, ৭ গোলে বিধ্বস্ত রিয়াল
- বিজেপিতে যোগ দিলেন কোয়েল মল্লিক, রাজ্যসভায়ও হলেন প্রার্থী
- ১০ বছরের সম্পর্কের ইতি, আলাদা হচ্ছেন প্রীতম-শেহতাজ
- সীমিত আয়ের মানুষের জন্য মানসম্মত বাসস্থান নিশ্চিতের অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর
- মেসির বিদায়ী ম্যাচে ‘পাঁচটা মনুমেন্টালও ভরে যেত’: স্কালোনি
- গাজার ধ্বংসযজ্ঞের ছবি প্রকাশ, জরুরি সহায়তা চাইলেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি
- আকাশেই গতিপথ বদলাতে পারে এআই ক্ষেপণাস্ত্র, পরীক্ষা উত্তর কোরিয়ার
- ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের শীর্ষ ৩০ অর্থনীতিতে বাংলাদেশ: ইইউ রাষ্ট্রদূত
- মাল্টার কেজি ৫২০ টাকা কেন, ব্যবসায়ীদের কাছে ব্যাখ্যা চাইলেন বাণিজ্যমন্ত্রী
- প্রথম দিনেই ৯৫ কোটি, বক্স অফিসে রেকর্ড গড়ল ‘দৃশ্যম ৩’
- মাছ, মুরগি ও ডিমের বাজারে স্বস্তি নেই, বেকায়দায় নিম্নবিত্তরা
- নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম আবার বাড়ল, ১০ শলাকা এখন ৬৫ টাকা
- গানে বাজিমাত BUP-এর, সাউথইস্ট Cultural Fest 3.0-তে প্রথম রানারআপ
- প্রেম, অভিমান আর ‘আকাশের ঠিকানায় চিঠি’: রুদ্র–তসলিমার অজানা গল্প
- বাংলাদেশ দলে কাটছাঁট, আসিয়ান কাপের স্কোয়াড থেকে বাদ ৬ ফুটবলার
- র্যাব বিলুপ্ত, যাত্রা শুরু এসআরবির; বদলাবে পোশাক-লোগো-যানবাহনের রং
- মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে ইরানকে অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব রাশিয়ার
- জামানত ছাড়াই ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক, পাবেন যেসব তরুণ উদ্যোক্তা
- ‘জিন্নাহর বাবা মাছ বিক্রি করতেন, তিনি ছিলেন হিন্দু’: ফজলুর রহমানের দাবি, ইতিহাস কী বলে
- মেসির রেকর্ড ছুঁলেন রাফিনিয়া, ৭ গোলের রাতে ইতিহাস গড়ল বার্সেলোনা




