ইয়েমেনে ইসরায়েলের ভয়াবহ বিমান হামলা!


প্রকাশিত: ১০:০৭ ৬ মে ২০২৫
ইয়েমেনের বন্দরনগর হুদায়দায় সোমবার দিবাগত রাতে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। স্থানীয় গণমাধ্যম এবং আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, হামলায় অংশ নেয় অন্তত ৩০টি ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান। এই আক্রমণ হুথি বিদ্রোহীদের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার প্রতিশোধ হিসেবে চালানো হয়েছে বলে দাবি করছে ইসরায়েল।
যুক্তরাষ্ট্রের এক শীর্ষ কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, ইসরায়েলের এই সামরিক অভিযান তাদের সরাসরি সহযোগিতা এবং ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে। এই হামলার মাধ্যমে ইয়েমেনে হুথিদের সামরিক স্থাপনা, অস্ত্রাগার এবং সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করার লক্ষ্য ছিল বলে জানা গেছে।
ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নতুন প্রতিশোধমূলক অভিযান শুরু করেছে, যা গাজায় চলমান গণহত্যার বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়ানোর অংশ। হুথি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি জানান, এই অভিযানে ইসরায়েলের বেন গুরিওন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্যবস্তু করা হয়। তার দাবি, হামলার ফলে বিমানবন্দর এক ঘণ্টারও বেশি সময় বন্ধ থাকে এবং প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষ বাঙ্কারে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়।
হুথি বিদ্রোহীদের ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রও সরাসরি অভিযানে অংশ নিচ্ছে। ইয়েমেনের আল-মাসিরাহ টেলিভিশনের মতে, শুধু ৪ মে থেকে ৫ মে’র মধ্যেই মার্কিন বাহিনী আল-জাওফ ও মারিব প্রদেশে ৩৫টি বিমান হামলা চালায়। মার্চ ২০২৫ থেকে এখন পর্যন্ত আমেরিকা ও ব্রিটেনের যৌথ অভিযানে ইয়েমেনজুড়ে ১,০০০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে।
এই আঞ্চলিক সংঘাতের বড় একটি কারণ হলো লোহিত সাগরের নৌ-চলাচল পথ। হুথি বিদ্রোহীরা ইসরায়েলি এবং ইসরায়েল-সম্পর্কিত বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, যার কারণে পশ্চিমা জোট এই সামরিক হস্তক্ষেপ জোরদার করেছে।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে এবং ইয়েমেনের সংঘাত একাধিক দেশের অংশগ্রহণে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের দিকে গড়াতে পারে। ইসরায়েল বর্তমানে গাজা, লেবানন এবং ইয়েমেন—তিনটি ফ্রন্টে সরাসরি সামরিক হুমকির মুখোমুখি।
বিজ্ঞাপন
সর্বোচ্চ পঠিত - আন্তর্জাতিক
- রোনালদোকে নভেম্বরেই পর্তুগাল দলে ফেরাতে চান ফুটবল ফেডারেশন সভাপতি
- নেপালে ফের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা, ভেসে গেল ঘরবাড়ি ও সেতু
- ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু সোমবার, বাড়ি বাড়ি যাবেন সরকারি কর্মীরা
- সাভারের বনগাঁওয়ে তিন দিনব্যাপী মশক নিধন কার্যক্রম শুরু
- অসংখ্য ডিসেম্বর আসবে-যাবে, শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন না: রাশেদ খাঁন
- জাতীয় দলের শিবির ছাড়ায় ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রোনালদো
- রিয়াদ বিমানবন্দরে তৃতীয় দফা হামলার দাবি হুথিদের, ক্ষতিগ্রস্ত বিমান
- পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁসের দাবি, চাওয়া হয়েছে ৪ লাখ ডলার
- মেসির বিদায়ে রোনালদোর আবেগঘন বার্তা, জানালেন ‘পূর্ণ শ্রদ্ধা’
- ইউরোপীয় পার্লামেন্টে ট্রাম্পের নগ্ন ভাস্কর্য ‘অরেঞ্জ প্লেগ’
- মাছ, মুরগি ও ডিমের বাজারে স্বস্তি নেই, বেকায়দায় নিম্নবিত্তরা
- নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম আবার বাড়ল, ১০ শলাকা এখন ৬৫ টাকা
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি আজ পৌঁছাচ্ছে বাংলাদেশে
- ৮ মাস পর চালু, দুই দিনের মাথায় ফের বন্ধ যমুনা সার কারখানা
- পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁসের দাবি, চাওয়া হয়েছে ৪ লাখ ডলার
- শেষ ম্যাচে গোল-অ্যাসিস্ট, সতীর্থদের ভালোবাসায় বিদায় মেসির
- মেসির বিদায়ে রোনালদোর আবেগঘন বার্তা, জানালেন ‘পূর্ণ শ্রদ্ধা’
- জাতীয় দলের শিবির ছাড়ায় ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রোনালদো
- প্রেম, অভিমান আর ‘আকাশের ঠিকানায় চিঠি’: রুদ্র–তসলিমার অজানা গল্প
- অসংখ্য ডিসেম্বর আসবে-যাবে, শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন না: রাশেদ খাঁন




