• শনিবার , ১১ জুলাই, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আমাদের পারমাণবিক অস্ত্র দিয়ে পৃথিবী ১৫০ বার ধ্বংস সম্ভব: ট্রাম্প

আমাদের পারমাণবিক অস্ত্র দিয়ে পৃথিবী ১৫০ বার ধ্বংস সম্ভব: ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৬:৪৩ ৩ নভেম্বর ২০২৫

মার-আ-লাগোয় সিএবিএসের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘৬০ মিনিútস’-এ দেওয়া সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আমেরিকার হাতে এত বেশি পারমাণবিক অস্ত্র আছে যে তা দিয়ে পৃথিবীকে ১৫০ বারও ধ্বংস করা সম্ভব—এমন মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, রাশিয়া ও চীনও (গোপনে) পারমাণবিক পরীক্ষা চালাচ্ছে, যদিও তারা তা প্রকাশ্যে স্বীকার করছে না।


সাক্ষাৎকারের এক অংশে সিএবিএসের উপস্থাপক নোরা ও’ডনেল ট্রাম্পকে বলেন, “বর্তমানে কেবল উত্তর কোরিয়া পারমাণবিক পরীক্ষা চালাচ্ছে”—এর প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প জানান, “রাশিয়া পরীক্ষা চালাচ্ছে, চীনও পরীক্ষা করছে—তারা এসব নিয়ে কিছু বলে না।” একই সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন যে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অন্য কোনো দেশের তুলনায় বিশাল পারমাণবিক শক্তি রয়েছে এবং তিনি চান, আমেরিকাও অন্যান্য দেশের মতোই পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালাক।


ট্রাম্পের এই মন্তব্যের একদিন আগে তিনি এমন নির্দেশনা দিয়েছেন বলে সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে—অর্থাৎ কয়েক দশকের বিরতির পর পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার কার্যক্রম পুনরায় শুরু করার উদ্যোগ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। সিএবিএস ও অন্যান্য গণমাধ্যম এই ইঙ্গিত ও তার মন্তব্য নিয়ে বিশ্লেষণ শুরু করেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, কোনো দেশের পক্ষেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা নিয়ে সতর্কতা, আন্তর্জাতিক বিধিনিষেধ ও পরমাণু বিরোধ সংক্রান্ত চুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে জটিল কূটনৈতিক ও নিরাপত্তাগত প্রশ্ন ওঠে। নোরা ও’ডনেলের সাক্ষাৎকারে এই পয়েন্টটিও তোলা হয়—তিনি বলেন, “অনেকই বলছে রাশিয়া বা চীন পারমাণবিক যুদ্ধাস্ত্রের সরাসরি পরীক্ষা করছে না; তাদের করা হচ্ছে কি কেবল ডেলিভারি সিস্টেম (মিসাইল) পরীক্ষা?”—এ বিষয়ে ট্রাম্পের বক্তব্য ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া এখন নজরকাড়া।

সাংবাদিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের মন্তব্যগুলো ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রচুরভাবে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে—বিশেষত তিনি যে দাবি তুলেছেন ‘আমাদের genug nukes to blow up the world 150 times’—এটি নিয়ে নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও কূটনীতিকদের উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি, মার্কিন প্রশাসনের বাস্তব নীতিনির্ধারণ ও আন্তর্জাতিক প্রকল্প-অঙ্গীকারের ওপর এর প্রভাব নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম।

 

বিজ্ঞাপন