হরমুজ উত্তেজনার মধ্যে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের বড় হামলা, লক্ষ্যবস্তু ১৪০ সামরিক স্থাপনা


প্রকাশিত: ০২:২১ ১২ জুলাই ২০২৬
ইরানের বিরুদ্ধে এক সপ্তাহের মধ্যে তৃতীয় দফা সামরিক অভিযান চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডের দাবি, সর্বশেষ অভিযানে ইরানের প্রায় ১৪০টি সামরিক স্থাপনায় আঘাত হানা হয়েছে। আগের দুই দফার তুলনায় এবারের অভিযান অনেক বড় ছিল বলেও জানিয়েছে তারা।
যুক্তরাষ্ট্রের ভাষ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী সাইপ্রাসের পতাকাবাহী একটি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানি বাহিনীর হামলার জবাব হিসেবে নতুন অভিযান পরিচালনা করা হয়। মার্কিন কর্তৃপক্ষ বলেছে, জাহাজটির ইঞ্জিনকক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং একজন ক্রু নিখোঁজ রয়েছেন। অন্যদিকে ইরানের বিপ্লবী গার্ডের দাবি, নির্দেশ অমান্য করে অনুমোদনহীন পথে চলায় জাহাজটিকে সতর্কতামূলকভাবে লক্ষ্য করা হয়েছিল।
সেন্টকম জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণকেন্দ্র, গোলাবারুদ সংরক্ষণাগার, যোগাযোগব্যবস্থা, নজরদারি রাডার এবং অন্যান্য সামরিক অবকাঠামো এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, গত তিন রাতের অভিযানে ইরানের ৩০০টির বেশি স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হরমুজ প্রণালিতে বেসামরিক নাবিক ও বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার সক্ষমতা দুর্বল করা।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম দেশটির কয়েকটি বন্দরনগরী ও দক্ষিণাঞ্চলে বিস্ফোরণের খবর দিয়েছে। হরমুজ প্রণালির উপকূলবর্তী বন্দর আব্বাস ও সিরিক এলাকাতেও হামলার খবর পাওয়া গেছে। তবে বিভিন্ন স্থানে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের পূর্ণাঙ্গ তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ইরান জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। তবে যুক্তরাষ্ট্র বলছে, মার্কিন সহায়তায় বাণিজ্যিক জাহাজের চলাচল এখনো অব্যাহত রয়েছে। দুই পক্ষের এই বিপরীত দাবির কারণে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটির বাস্তব পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
হরমুজ প্রণালি বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ। সাম্প্রতিক সংঘাত শুরুর আগে বিশ্বের বাণিজ্যিকভাবে পরিবহন করা তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে যেত। ফলে সেখানে সামরিক উত্তেজনা দীর্ঘ হলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও পণ্য পরিবহনে নতুন চাপ তৈরি হতে পারে।
এদিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। ইরানও কুয়েত, কাতার, জর্ডান, ওমানসহ কয়েকটি দেশে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনায় আঘাত হানার দাবি করেছে। এসব দাবির সবগুলো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
সূত্র: রয়টার্স/ অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস
বিজ্ঞাপন
সর্বোচ্চ পঠিত - আন্তর্জাতিক
- ৬০ লাখ ডলারের গয়না লুট, কিম কার্দাশিয়ান ক্ষতিপূরণ পেলেন মাত্র ১ ইউরো-কেন?
- নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম আবার বাড়ল, ১০ শলাকা এখন ৬৫ টাকা
- ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগ, মেগা প্রকল্প নিয়ে যা বললেন শিবির সভাপতি
- মেসির রেকর্ড ছুঁলেন রাফিনিয়া, ৭ গোলের রাতে ইতিহাস গড়ল বার্সেলোনা
- বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বড় ধাক্কা, পরিবার আনার সুযোগ সীমিত করছে অস্ট্রেলিয়া
- র্যাব বিলুপ্ত, যাত্রা শুরু এসআরবির; বদলাবে পোশাক-লোগো-যানবাহনের রং
- কারাগারেই জন্ম, ৭ বছর পর মায়ের হাত ধরে মুক্ত মোবাশ্বেরা
- জিন্নাহ-শেখ মুজিব সম্পর্কের অজানা অধ্যায়, কী হয়েছিল ১৯৪৬ সালের নির্বাচনে?
- প্রাক্তনকে বারবার মনে পড়ছে? যেসব উপায়ে ভুলতে পারবেন
- নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর রুটে চলবে বৈদ্যুতিক ট্রেন, ব্যয় ৩৮২২ কোটি
- রাজ্জাক দেওয়ান স্মরণে গাইবেন বগা তালেবসহ ১৫ শিল্পী
- মক্কা প্যাক্টে যোগদান বাংলাদেশের নিজস্ব বিষয়: জামায়াত আমির
- ডা. তাসনিম জারা: শিক্ষা, ক্যারিয়ার ও রাজনীতি
- হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে ইরান
- অকালে হারানো বাংলা চলচ্চিত্রের চিরসবুজ মহানায়ক সালমান শাহ
- পাকিস্তানের হাসপাতালে এসি বিস্ফোরণ, ১৫ নবজাতকের মৃত্যু
- ব্রাজিলের সঙ্গে খেললেই বদলাবে না বাংলাদেশের ফুটবল, বললেন আমিনুল
- দেশজুড়ে আরও পাঁচ দিন টানা বৃষ্টির পূর্বাভাস
- শরীফুলের বোলিংয়ে মুগ্ধ অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক
- বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ইউনিয়নে হবে ‘হেলথ হাব’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী




