• সোমবার , ২৪ আগস্ট, ২০২৬ | ৮ ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে মিয়ানমারকেই দায়িত্ব নিতে হবে: আইনমন্ত্রী

রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে মিয়ানমারকেই দায়িত্ব নিতে হবে: আইনমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০২:৫১ ২৩ আগস্ট ২০২৬

রোহিঙ্গা সংকটকে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি সংকটের স্থায়ী সমাধানে মিয়ানমারকেই কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

রোববার (২৩ আগস্ট) ‘রোহিঙ্গা সংকট: বর্তমান বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক এক সেমিনারে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

রোহিঙ্গা সংকট মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সমস্যা

আইনমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা সংকট মূলত মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংকট। তবে মানবিক বিবেচনায় বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে এবং তাদের মানবাধিকার রক্ষায় বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।

তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গা সংকট মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংকট। তবে বাংলাদেশ সরকার বিষয়টিকে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেছে। মানবিক বিবেচনায় সরকার রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দিয়েছে।’

বাংলাদেশের ভূখণ্ডের অখণ্ডতা রক্ষা গুরুত্বপূর্ণ

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশের ভূখণ্ডের অখণ্ডতা রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা ইস্যুতে যাতে কোনো ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘন না ঘটে, সেদিকেও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, রোহিঙ্গারা বাংলাদেশি নয়, তারা এই ভূখণ্ডের জনগোষ্ঠীও নয়। তবে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে তাদের অধিকার ও নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করা প্রয়োজন।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে সরকারের পদক্ষেপে জনগণের সমর্থন

রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের প্রতি জনগণের সমর্থন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন আইনমন্ত্রী।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে সরকার যে ধরনের পদক্ষেপ নিতে চায়, সেখানে জনগণের সমর্থন রয়েছে। সংকট মোকাবিলায় মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির পাশাপাশি দেশের স্বার্থ ও নিরাপত্তাকেও গুরুত্ব দিতে হবে।

স্থায়ী সমাধানের দায়িত্ব মিয়ানমারের

রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী সমাধানের জন্য মিয়ানমারকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান আইনমন্ত্রী।

তিনি বলেন, মিয়ানমারকেই এ সংকটের দায়িত্ব নিতে হবে এবং দেশটির নাগরিকদের মানবাধিকার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরিতেও মিয়ানমারের কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন।

বিজ্ঞাপন