• সোমবার , ২৪ আগস্ট, ২০২৬ | ৮ ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শরীফুলের বোলিংয়ে মুগ্ধ অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক

শরীফুলের বোলিংয়ে মুগ্ধ অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৩:৫৯ ২৩ আগস্ট ২০২৬

ইনজুরির কারণে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে খেলতে পারেননি শরীফুল ইসলাম। তবে দ্বিতীয় টেস্টে একাদশে ফিরেই নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার। ম্যাকাই টেস্টে দুর্দান্ত বোলিং করে অস্ট্রেলিয়ার সাত ব্যাটারকে সাজঘরে ফেরান তিনি। তাঁর এই পারফরম্যান্স নজর কেড়েছে অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক প্যাট কামিন্সেরও।

ম্যাকাইয়ে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস মাত্র ৬৪ রানে গুটিয়ে দেয় অস্ট্রেলিয়া। জবাবে স্বাগতিকদের ব্যাটিং লাইনআপে আঘাত হানেন শরীফুল। শেষ পর্যন্ত ৪৮ রানে ৭ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ের কীর্তি গড়েন তিনি। তাঁর ৭/৪৮ পারফরম্যান্স বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের কোনো বোলারের সেরা বোলিং ফিগার হিসেবেও জায়গা করে নেয়।

শরীফুলের বোলিংয়ে ছিল গতি, সুইং ও বাউন্সের দারুণ সমন্বয়। দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেও তিনি অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটারদের চাপে রাখেন। তাঁর বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং ইনিংস ২১০ রানে থামে।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে শরীফুলের প্রশংসা করেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। তিনি বলেন, শরীফুল খুব ভালো বোলিং করেছেন। তাঁর বলে দারুণ সুইং ছিল এবং ম্যাকাইয়ের বাতাসও বোলিংয়ে বাড়তি সহায়তা দিয়েছে। সব মিলিয়ে শরীফুলের বোলিংকে দুর্দান্ত বলে উল্লেখ করেন কামিন্স।

বাংলাদেশের ব্যাটিং নিয়ে কামিন্স বলেন, কন্ডিশন কখনো কখনো ব্যাটারদের কঠিন পরীক্ষায় ফেলে। রান করার চেষ্টা করতে গিয়ে ব্যাটারদের ভুলের সুযোগও তৈরি হয়। তাঁর মতে, ম্যাকাইয়ের দ্রুত ও বাউন্সি উইকেট বাংলাদেশের ঘরের মাঠের কন্ডিশনের তুলনায় সম্পূর্ণ ভিন্ন ছিল।

তবে শরীফুলের দুর্দান্ত বোলিং সত্ত্বেও ম্যাচে বড় জয় পায় অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস মাত্র ৯৫ রানে শেষ হয়ে যায়। ফলে দুই দিনের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়া ইনিংস ও ৫১ রানে জয় তুলে নেয় এবং দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করে।

অস্ট্রেলিয়ার জয়ে বড় অবদান রাখেন মিচেল স্টার্ক। দুই ইনিংস মিলিয়ে ৫১ রানে ১০ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন তিনি। প্রথম ইনিংসে তাঁর ৬/১২ বোলিংয়ের সামনে বাংলাদেশের ব্যাটিং মাত্র ৬৪ রানে গুটিয়ে যায়।

ম্যাচের ফল বাংলাদেশের জন্য হতাশার হলেও শরীফুল ইসলামের পারফরম্যান্স ছিল বড় প্রাপ্তি। ইনজুরি কাটিয়ে একাদশে ফিরে অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে ৭ উইকেট নেওয়া তাঁর টেস্ট ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা অর্জন হয়ে থাকল।

বিজ্ঞাপন