শেখ হাসিনা ও সাবেক মন্ত্রী-এমপিদের লাল পাসপোর্ট বাতিল


প্রকাশিত: ১২:৫৪ ২১ আগস্ট ২০২৪
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর শেখ হাসিনা ও সাবেক মন্ত্রী-এমপিদের নামে বরাদ্দ কূটনৈতিক পাসপোর্ট (লাল পাসপোর্ট) বাতিল করতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। দুই-একদিনের মধ্যেই পতিত সরকারের সাবেক মন্ত্রী-এমপিদের নামে ইস্যু করা লাল পাসপোর্ট বাতিল করতে আদেশ জারি করা হচ্ছে।
লাল পাসপোর্ট বাতিল হলে যেসব সাবেক মন্ত্রী-এমপির নামে ফৌজদারি অপরাধের মামলা আছে বা গ্রেপ্তার হয়েছেন তাদের সাধারণ পাসপোর্ট পেতে আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। সে ক্ষেত্রে আদালতের আদেশ পেলেই কেবল মিলবে সাধারণ পাসপোর্ট।
গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইতোমধ্যে তার সরকারের কয়েকজন সাবেক মন্ত্রী-এমপি গ্রেপ্তার হয়েছেন। কেউ কেউ গ্রেপ্তার এড়াতে সরকার পতনের আগেই বিদেশে পাড়ি দেন।
ভারতে আশ্রয় নেওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কূটনৈতিক পাসপোর্ট বা লাল পাসপোর্টধারী ছিলেন। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ২০১৮ সালের ১৫ জুলাই স্বাক্ষরিত সমঝোতা অনুযায়ী, সেই পাসপোর্টের সুবাদে তিনি অন্তত দেড় মাস কোনো ভিসা ছাড়াই অনায়াসে ভারতে অবস্থান করতে পারবেন। গত ৫ আগস্ট ভারত যান তিনি। ভারতের আইন অনুযায়ী আর ২৯ দিন দেশটিতে থাকতে পারবেন শেখ হাসিনা। যদি না এর মধ্যে সেই পাসপোর্ট ‘রিভোকড’ বা প্রত্যাহৃত হয়। তাই বর্তমান অবস্থান সম্পূর্ণ আইনসম্মত, ভারতের এ ক্ষেত্রে আলাদা করে কোনো ব্যবস্থা নেওয়ারও প্রয়োজনও নেই। অন্যদিকে শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানা যুক্তরাজ্যের পাসপোর্টধারী। ফলে তিনি ভারতে অন অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধা পাবেন। এই সুবিধায় তিনি যতদিন খুশি ভারতে থাকতে পারবেন।
পাসপোর্ট অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সাধারণ নতুন সরকার গঠন হলে মন্ত্রী-এমপিরা সংসদের মেয়াদকাল অর্থাৎ পাঁচ বছরের জন্য কূটনৈতিক পাসপোর্ট (লাল পাসপোর্ট) পেয়ে থাকেন। সংসদের মেয়াদ শেষ হলে পাসপোর্টের বৈধতাও শেষ হয়ে যায়। তবে মন্ত্রী-এমপিদের কূটনৈতিক পাসপোর্ট (লাল পাসপোর্ট) বাতিলের আদেশ এলে সাধারণত বাতিল করা হয়। এরপর বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে যে কেউ সাধারণ পাসপোর্ট (সবুজ রঙের) পাওয়ার অধিকার রাখেন। তবে কারও নামে যদি ফৌজদারি মামলা থাকে তবে তিনি সাধারণ পাসপোর্ট পাবেন না। সে ক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশনা থাকলেই কেবল তিনি সাধারণ পাসপোর্ট প্রাপ্ত হবেন।
সাবেক পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক বলেন, সংসদের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে বা সংসদ ভেঙে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কূটনৈতিক পাসপোর্টের বৈধতা শেষ হয়ে যায়। সাধারণত কূটনৈতিক পাসপোর্টধারীরা মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে সেই পাসপোর্ট সারেন্ডার করে সাধারণ পাসপোর্ট নিয়ে থাকেন।
সর্বোচ্চ পঠিত - জাতীয়
- বিএনপি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ মামলায় সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার
- যমুনা সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় টোল আদায় ৩ কোটি টাকার বেশি
- ‘আমি মোদিকে ভালোবাসি। মোদি অসাধারণ, তিনি আমার বন্ধু’: ডোনাল্ড ট্রাম্প
- রামিসা হত্যা মামলার বিচার ৭ দিনের মধ্যে সম্পন্নের নির্দেশ, বিশেষ আদালতের ছুটি বাতিল
- কিশোরগঞ্জে প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে ইমাম আটক
- নেইমার নয়, বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ১০ নম্বর জার্সি পাচ্ছেন অন্য কেউ!
- হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন হাসনাত, সারজিস বিস্ফোরক মন্তব্য রাশেদের
- সন্দেহ হলেই আটক! পশ্চিমবঙ্গে ‘হোল্ডিং সেন্টার’ নির্দেশে শুরু বিতর্ক
- কুমিল্লায় স্কুলছাত্রীকে ইভটিজিংয়ের দায়ে অটোচালকের কারাদণ্ড
- বেলুচিস্তানে জাফর এক্সপ্রেসে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ২৪, আহত ৮২
- আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে খোরশেদ আলম, দিলেন আর্থিক সহায়তা
- রেলের ইঞ্জিন সংকটে রংপুরে তেলের হাহাকার, বিপাকে পাঁচ জেলার জনজীবন
- পাকিস্তানে প্রশিক্ষণে যাচ্ছেন বিসিএসের ১২ কর্মকর্তা
- যুদ্ধবিরতিতে পরমাণু প্রকল্পসহ ইরানের নতুন তিন প্রস্তাব
- জঙ্গি হামলার আশঙ্কা: শাহজালালসহ ৮ বিমানবন্দরে কড়া নিরাপত্তা জোরদার
- নেতানিয়াহুর দুর্নীতি মামলার শুনানি শুরু, বাড়ছে রাজনৈতিক চাপ
- বিয়ে করছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম, জানা গেল পাত্রীর পরিচয়
- রাজধানীর ডেমরায় কেমিক্যাল গুদামে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস
- ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ ঘোষণায় হরমুজ নিয়ে ট্রাম্পকে সতর্কবার্তা দিল ইরান
- রূপপুরে পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং শুরু: বিদ্যুৎ উৎপাদনের নতুন যুগে বাংলাদেশ





