• সোমবার , ২৫ মে, ২০২৬ | ১১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিউইয়র্কে এনসিপি ও বিএনপি নেতাদের ওপর হামলা, প্রটেকশন দিলেন ‘শিবির নেতা মারুফ’ —দাবি সোশ্যাল মিডিয়ায়

নিউইয়র্কে এনসিপি ও বিএনপি নেতাদের ওপর হামলা, প্রটেকশন দিলেন ‘শিবির নেতা মারুফ’ —দাবি সোশ্যাল মিডিয়ায়

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:১৪ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নিউইয়র্কে প্রবাসী বাংলাদেশিদের একটি রাজনৈতিক সভায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতা আখতার হোসেন, নারী নেত্রী জারা এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে নিউইয়র্ক শহরের একটি আয়োজনে এই ঘটনার সূত্রপাত হয়, যেখানে হঠাৎ করে কিছু ব্যক্তির ডিম নিক্ষেপ এবং হেনস্তামূলক আচরণের ফলে পুরো অনুষ্ঠান এলোমেলো হয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও প্রবাসী বিএনপি-সমর্থকদের দাবি, এই হামলার পেছনে যুক্ত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ–সমর্থিত কিছু কর্মী। তারা বলছেন, পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে যাতে বিএনপি ও এনসিপির সফর ব্যাহত করা যায় এবং নেতাদের মানসিকভাবে আতঙ্কিত করা হয়। হামলার সময় মির্জা ফখরুলসহ অন্যান্য নেতারা নিরাপত্তাহীনতায় পড়েন এবং পরিস্থিতি তাড়াতাড়ি নিয়ন্ত্রণে না এলে বড় ধরনের বিপদ ঘটতে পারতো বলেও মন্তব্য করেছেন কয়েকজন নেতা।

ঘটনার একটি আলোচিত অংশ হলো—একজন “মারুফ” নামের ব্যক্তি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি করা হচ্ছে, যিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্যমতে সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি। বিভিন্ন ফেসবুক পোস্ট ও কমেন্টে বলা হচ্ছে, হামলার সময় মারুফ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখেন এবং আক্রমণের শিকার নেতাদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে সহায়তা করেন। তবে এই তথ্য এখন পর্যন্ত কোনো স্বীকৃত সংবাদমাধ্যমে যাচাই বা নিশ্চিত করা যায়নি। ফলে ‘শিবির নেতা মারুফ’-এর উপস্থিতি বা তার ভূমিকা নিয়ে এখনও দ্বিধা রয়ে গেছে।

ঘটনার পর বিএনপি ও এনসিপি উভয় দলই এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা যুক্তরাষ্ট্র সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এই ধরনের রাজনৈতিক সহিংসতা প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে এবং দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছে বলেও মত দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

এ ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। প্রবাসী মহলে এ ঘটনাকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিভাজন ও সংঘাতের ‘এক্সপোর্ট’ বলেও সমালোচনা করা হচ্ছে। অন্যদিকে, হামলার ভিডিও ও ছবি ইতোমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে চলছে তর্ক-বিতর্ক ও মতভেদ।
 

বিজ্ঞাপন

https://moreshopbd.com/