রাজধানীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ


প্রকাশিত: ০১:৫৫ ২ জুন ২০২৬
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় চার্জশিটভুক্ত ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে মামলার বাদী ও ভিকটিমের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লার জবানবন্দির মাধ্যমে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে ভিকটিমের মা পারভীন আক্তার, বড় বোন রাইসা আক্তার, ফুপু মাহমুদা আক্তার, চাচা মিজানুর রহমান লিটন, চতুর্থ তলার বাসিন্দা মনির হোসেন, প্রতিবেশী জাকিরুল ইসলাম রাজু, দ্বিতীয় তলার বাসিন্দা শেখ আবু সামা, ফুপা মনিরুজ্জামান শাহীন এবং কনস্টেবল রোমা আক্তার আদালতে সাক্ষ্য দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী তাদের জেরা করেন। আদালত পরে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত মুলতবি করেন এবং পরবর্তী সময়ে আবারও সাক্ষ্যগ্রহণের কথা জানান। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ পিটার গোমেজ জানান, সব সাক্ষী উপস্থিত আছেন এবং সময় থাকলে আজই সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হতে পারে।
এদিন সকাল পৌনে ৯টায় মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। পরে তাদের আদালতের হাজতখানায় রাখা হয় এবং সাক্ষ্যগ্রহণের সময় এজলাসে নেওয়া হয়।
এর আগে সোমবার আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। একই দিন ১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির হওয়ার সমন জারি করা হয়।
গত ২৪ মে আদালত দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করে। পরে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে মোট ১৮ জন সাক্ষী রয়েছে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে তাকে কৌশলে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে তাকে হত্যা করা হয়। শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করে।
২০ মে ভিকটিমের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।
বিজ্ঞাপন
সর্বোচ্চ পঠিত - অপরাধ ও শৃঙ্খলা
- প্রধানমন্ত্রী পরিবারকে নিয়ে কটূক্তি: ডা. মুরাদকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ
- ভক্তরা আমাকে সিঙ্গেল দেখতে চায়, কোনো পুরুষের পাশে নয়: পরীমণি
- হেরে যাওয়া নেতাদেরই জেলার ‘মাথা’ বানাচ্ছে বিএনপি: রুমিন ফারহানা
- নতুন ব্রাজিল গড়তে তরুণদের ওপর আস্থাশীল কার্লো আনচেলত্তি
- গাজায় সামরিক অভিযানের মুখে ইসরায়েলে বিপুল অস্ত্র সরবরাহ ভারতের: অ্যামনেস্টির প্রতিবেদন
- ভোল পাল্টে সবাই এখন ‘জুলাইযোদ্ধা’: মির্জা ফখরুল
- শাকিবের সঙ্গে রোমান্স স্বস্তিদায়ক ছিল: সাবিলা নূর
- বিশ্বকাপ কোনো পণ্য নয়, ফুটবল বিক্রির অধিকার ফিফার নেই: উয়েফা
- শিল্পখাতে গ্যাস সংকট সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
- এআই দিয়ে প্রতিমন্ত্রীর বিকৃত ছবি প্রচার: পঞ্চগড়ে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের প্রতিবাদ
- দৃষ্টিহীন তরুণের চিকিৎসার দায়িত্ব নিল ‘অ্যাশেজ’
- কেপ ভার্দের জয় নিয়ে সাহসী ভবিষ্যদ্বাণী, মেসির হার দেখছেন তিমুর লিসতের প্রেসিডেন্ট
- ভোট গণনায় অনিয়ম হলে কঠোর প্রতিরোধের হুঁশিয়ারি সারজিস আলমের
- জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে ফজলুর রহমানের বক্তব্যের সমালোচনা
- সুপারকম্পিউটারের পূর্বাভাসে বিশ্বকাপ জয়ের নিকটে ফ্রান্স
- আজ থেকে বাধ্যতামূলক ‘বাংলা কিউআর’, এক কোডেই সব ডিজিটাল পেমেন্ট
- কর্ণফুলীতে ফিশিং ভেসেলে বিস্ফোরণ, ঢাকায় নেওয়ার পথে দুই নাবিকের মৃত্যু
- বিশ্বকাপ থেকে ইরানের বিদায়ে মার্কিন কর্মকর্তার মন্তব্যে নতুন বিতর্ক
- গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে রাজনৈতিক সংকট বাড়তে পারে: গোলাম পরওয়ার
- আল আকসায় ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীদের প্রবেশ নিয়ে নতুন উত্তেজনা




