• বৃহস্পতিবার , ৩০ জুলাই, ২০২৬ | ১৪ শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৫০০ কোটি টাকার ‘সুফল’ প্রকল্পে দুর্নীতি: বন অধিদপ্তরে দুদকের অভিযান ও নথি তলব

১৫০০ কোটি টাকার ‘সুফল’ প্রকল্পে দুর্নীতি: বন অধিদপ্তরে দুদকের অভিযান ও নথি তলব

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:৫৮ ২৮ জুলাই ২০২৬

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সবচেয়ে বড় উদ্যোগ দেড় হাজার কোটি টাকার ‘টেকসই বন ও জীবিকা’ (সুফল) প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এই দুর্নীতির অনুসন্ধানে নেমে বন অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার (২৭ জুলাই) দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন যে, সংস্থাটির একটি অনুসন্ধানকারী দল বন অধিদপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় রেকর্ডপত্র সংগ্রহের কাজ সরাসরি পরিচালনা করছে।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে শুরু হওয়া এই মেগা প্রকল্পের মাঠপর্যায়ে অবকাঠামো নির্মাণ, চারা রোপণ ও সামাজিক বনায়নের কাজে ভুয়া ভাউচার এবং কাগজে-কলমে কাজ দেখিয়ে শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎ করার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। এর আগে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বন অধিদপ্তরে এক আকস্মিক অভিযান চালিয়ে এসব অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা মেলে। ওই অনুসন্ধানের ধারাবাহিকতায় এখন বিস্তারিত নথি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য তলব করা হয়েছে।

এ দুর্নীতির সাথে সাবেক পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন, প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী এবং সুফল প্রকল্পের পরিচালক গোবিন্দ রায়সহ অধিদপ্তরটির ঊর্ধ্বতন একাধিক কর্মকর্তার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে। দুদক কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম জানান, সংগৃহীত নথিপত্রগুলো নিখুঁতভাবে যাচাই শেষে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য, সুফল প্রকল্পে অনিয়মের পাশাপাশি সাবেক বনমন্ত্রী শাহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের পৃথক অনুসন্ধানও সমান তালে চালিয়ে যাচ্ছে দুদক। সেই অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে ইতিমধ্যেই আদালত শাহাব উদ্দিন ও তার ছেলে জাকির হোসেন জুমনের রাজধানীর উত্তরার ৫ কাঠার একটি মূল্যবান প্লট এবং ব্যাংকে থাকা একাধিক অ্যাকাউন্ট জব্দের (ফ্রিজ) নির্দেশ দিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন