একাধিক ব্যক্তিই ধর্ষণে জড়িত, পোস্টমর্টেম রিপোর্ট


প্রকাশিত: ১২:৩৪ ১৭ আগস্ট ২০২৪
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে আরজি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় চিকিৎসকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। ১৪ আগস্ট আরজি কর কলেজ ও হাসপাতালে ভাঙচুরের ঘটনায় মমতা সরকারকে প্রশ্ন করেছে কলকাতা হাইকোর্ট।
কলকাতা হাইকোর্ট মমতা সরকারকে বলেছে হাসপাতাল বন্ধ করতে। এতে করে অন্তত সব রোগী নিরাপদ থাকবে। একইসঙ্গে কলকাতার আদালত সরকারের কাছে জানতে চায়, যখন জনতা হাসপাতালে পৌঁছেছিল তখন আপনি কী করেছেন? এই বিষয়ে মমতা সরকার বলেছে, পুলিশের কাছে ভিড়ের কোনও তথ্য নেই।
আদালতের এমন প্রশ্নের পরপরই কিছু প্রশ্ন সামনে আসে। কেন ১৪ আগস্ট সাত হাজার লোক ভিড় করে হাসপাতালে আন্দোলন করেছিল, এছাড়া ধর্ষণের সঙ্গে কতজন জড়িত। কারণ পুলিশ, সরকার, পোস্টমর্টেমের রিপোর্ট তিনটি ভিন্ন গল্প বলছে। এদিকে, শিক্ষানবিশ চিকিৎসকের সঙ্গে এই ঘটনার পরও কেন ওই হাসপাতালের সেমিনার হলটি এখন পর্যন্ত সিল করা হয়নি বলে প্রশ্ন উঠেছে?
এই ঘটনায় আরও কয়েকজন জড়িত থাকার সন্দেহ প্রকাশ করেছেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা। সহকর্মীরাও জড়িত থাকতে পারে বলে পরিবার জানিয়েছে। সন্দেহের দৃষ্টি সেই ফুড ডেলিভারি বয়কেও যে শেষবার ভিকটিম ও তার বন্ধুদের কাছে খাবার পৌঁছে দিয়েছিল।
ভিকটিমের পেলভিক গার্ডল ভেঙে গেছে। চিকিৎসকদের মতে, একজন ধর্ষণের ক্ষেত্রে এমনটা হয় না। পেলভিক গার্ডল ভেঙে যাওয়াওই সাক্ষ্য দেয়, একাধিক ব্যক্তি অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল।
পোস্টমর্টেম রিপোর্টে বলা হয়েছে, চিকিৎসকের মৃত্যুর সময় ছিল রাত ৩টা থেকে ভোর ৫টার মধ্যে। ভিকটিমের নিচের ও উপরের অংশের ঠোঁট, নাক, গাল এবং নিচের চোয়ালসহ তার শরীরে বাহ্যিক আঘাতের চিহ্ন ছিল। তার মাথার খুলির টেম্পোরাল হাড়ে আঘাত এবং তার মাথার খুলির সামনের অংশে রক্ত জমে থাকার তথ্যও দেওয়া হয়েছে। ভিকটিমটির মুখ চেপে রাখা হয়েছিল এবং তার মাথা দেওয়ালে চাপা ছিল, যাতে সে সাহায্যের জন্য চিৎকার করতে না পারে।
তার মুখের চশমা ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে, যা প্রমাণ করে তার মুখে বারবার আঘাত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেছেন, নির্যাতিতার গোপনাঙ্গ থেকে ১৫০ গ্রাম বীর্য বেরিয়েছে, যা একাধিক ব্যক্তির ধর্ষণের প্রমাণ দেয়।
বিজ্ঞাপন
সর্বোচ্চ পঠিত - আন্তর্জাতিক
- রোনালদোকে নভেম্বরেই পর্তুগাল দলে ফেরাতে চান ফুটবল ফেডারেশন সভাপতি
- নেপালে ফের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা, ভেসে গেল ঘরবাড়ি ও সেতু
- ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু সোমবার, বাড়ি বাড়ি যাবেন সরকারি কর্মীরা
- সাভারের বনগাঁওয়ে তিন দিনব্যাপী মশক নিধন কার্যক্রম শুরু
- অসংখ্য ডিসেম্বর আসবে-যাবে, শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন না: রাশেদ খাঁন
- জাতীয় দলের শিবির ছাড়ায় ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রোনালদো
- রিয়াদ বিমানবন্দরে তৃতীয় দফা হামলার দাবি হুথিদের, ক্ষতিগ্রস্ত বিমান
- পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁসের দাবি, চাওয়া হয়েছে ৪ লাখ ডলার
- মেসির বিদায়ে রোনালদোর আবেগঘন বার্তা, জানালেন ‘পূর্ণ শ্রদ্ধা’
- ইউরোপীয় পার্লামেন্টে ট্রাম্পের নগ্ন ভাস্কর্য ‘অরেঞ্জ প্লেগ’
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি আজ পৌঁছাচ্ছে বাংলাদেশে
- পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁসের দাবি, চাওয়া হয়েছে ৪ লাখ ডলার
- মাছ, মুরগি ও ডিমের বাজারে স্বস্তি নেই, বেকায়দায় নিম্নবিত্তরা
- শেষ ম্যাচে গোল-অ্যাসিস্ট, সতীর্থদের ভালোবাসায় বিদায় মেসির
- জাতীয় দলের শিবির ছাড়ায় ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রোনালদো
- মেসির বিদায়ে রোনালদোর আবেগঘন বার্তা, জানালেন ‘পূর্ণ শ্রদ্ধা’
- ৮ মাস পর চালু, দুই দিনের মাথায় ফের বন্ধ যমুনা সার কারখানা
- নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম আবার বাড়ল, ১০ শলাকা এখন ৬৫ টাকা
- অসংখ্য ডিসেম্বর আসবে-যাবে, শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন না: রাশেদ খাঁন
- সাভারের বনগাঁওয়ে তিন দিনব্যাপী মশক নিধন কার্যক্রম শুরু




