পান বিক্রেতার হাতে টাকা দেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, ক্ষমা চাইলেন ব্যারিস্টার শাহরিয়ার


প্রকাশিত: ১১:২৮ ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
নির্বাচনী প্রচারণার সময় এক পান বিক্রেতার হাতে টাকা তুলে দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেওয়া ব্যারিস্টার এএসএম শাহরিয়ার কবির একজন বয়স্ক পান বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলার পর তাঁর হাতে এক হাজার টাকার একটি নোট গুঁজে দেন।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই অভিযোগ করেন, এ ধরনের কার্যক্রম ২০০৮ সালের নির্বাচনী আচরণবিধির পরিপন্থী। ওই আচরণবিধি অনুযায়ী, নির্বাচনের আগে কোনো প্রার্থী বা তাঁর পক্ষে কেউ নির্বাচনী এলাকায় কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে প্রকাশ্যে বা গোপনে অর্থ, অনুদান বা আর্থিক সহায়তা দিতে কিংবা দেওয়ার অঙ্গীকার করতে পারেন না।
সমালোচনার মুখে ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির বিষয়টি নিয়ে নিজের ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দেন। ‘মানবিক আবেদন’ শিরোনামের সেই পোস্টে তিনি জানান, গত শনিবার মিরপুর এলাকায় ব্যক্তিগতভাবে জামায়াতের সমর্থনে গণসংযোগের সময় ওই পান ও সিগারেট বিক্রেতার সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হয়। কথাবার্তায় তিনি জানতে পারেন, সেদিন বিক্রেতার তেমন বেচাকেনা হয়নি। মানবিক দিক বিবেচনা করেই তিনি সবার সামনে এবং ক্যামেরার উপস্থিতিতে এক হাজার টাকা দেন বলে দাবি করেন।
পোস্টে তিনি আরও বলেন, একই জায়গায় তিনি কয়েকজন শিশুকে খেলাধুলার জন্য র্যাকেট কেনার উদ্দেশ্যে কিছু টাকা উপহার দেন এবং তখন উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের স্পষ্টভাবে বলেন, বিষয়টিকে যেন অন্যভাবে উপস্থাপন না করা হয়। শিশুদের খেলাধুলার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতিবাচক সাড়া পেলেও, কিছু ব্যক্তি ও গণমাধ্যম ওই মানবিক সহায়তাকে ভিন্নভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির লেখেন, এই ধরনের উপস্থাপনায় তিনি অত্যন্ত মর্মাহত ও শোকাহত। তবে তারপরও মানুষ হিসেবে যদি কেউ তাঁর আচরণে কষ্ট পেয়ে থাকেন, সে জন্য তিনি ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, কথোপকথনের একপর্যায়ে শাহরিয়ার কবির পান বিক্রেতার কাছে জানতে চান ব্যবসা কেমন চলছে। বিক্রেতা জানান, দেশের পরিস্থিতি ভালো না থাকায় মানুষ আতঙ্কের মধ্যে আছে, ফলে বিক্রিও কম। এ সময় শাহরিয়ার কবির ধর্মীয় বক্তব্য দিয়ে বলেন, মুসলমানদের উচিত একমাত্র আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা। এরপর বিদায় নেওয়ার সময় তিনি ওই বিক্রেতার হাতে এক হাজার টাকার নোট তুলে দেন।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারও প্রশ্ন উঠেছে—নির্বাচনী সময় মানবিক সহায়তা ও নির্বাচনী আচরণবিধির সীমারেখা ঠিক কোথায়। অনেকেই মনে করছেন, এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে নির্বাচনী বিধিনিষেধ আরও কঠোরভাবে প্রয়োগ করা প্রয়োজন।
বিজ্ঞাপন
সর্বোচ্চ পঠিত - রাজনীতি
- প্রধানমন্ত্রী পরিবারকে নিয়ে কটূক্তি: ডা. মুরাদকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ
- ভক্তরা আমাকে সিঙ্গেল দেখতে চায়, কোনো পুরুষের পাশে নয়: পরীমণি
- হেরে যাওয়া নেতাদেরই জেলার ‘মাথা’ বানাচ্ছে বিএনপি: রুমিন ফারহানা
- নতুন ব্রাজিল গড়তে তরুণদের ওপর আস্থাশীল কার্লো আনচেলত্তি
- গাজায় সামরিক অভিযানের মুখে ইসরায়েলে বিপুল অস্ত্র সরবরাহ ভারতের: অ্যামনেস্টির প্রতিবেদন
- ভোল পাল্টে সবাই এখন ‘জুলাইযোদ্ধা’: মির্জা ফখরুল
- শাকিবের সঙ্গে রোমান্স স্বস্তিদায়ক ছিল: সাবিলা নূর
- বিশ্বকাপ কোনো পণ্য নয়, ফুটবল বিক্রির অধিকার ফিফার নেই: উয়েফা
- শিল্পখাতে গ্যাস সংকট সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
- এআই দিয়ে প্রতিমন্ত্রীর বিকৃত ছবি প্রচার: পঞ্চগড়ে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের প্রতিবাদ
- দৃষ্টিহীন তরুণের চিকিৎসার দায়িত্ব নিল ‘অ্যাশেজ’
- কেপ ভার্দের জয় নিয়ে সাহসী ভবিষ্যদ্বাণী, মেসির হার দেখছেন তিমুর লিসতের প্রেসিডেন্ট
- ভোট গণনায় অনিয়ম হলে কঠোর প্রতিরোধের হুঁশিয়ারি সারজিস আলমের
- জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে ফজলুর রহমানের বক্তব্যের সমালোচনা
- সুপারকম্পিউটারের পূর্বাভাসে বিশ্বকাপ জয়ের নিকটে ফ্রান্স
- আজ থেকে বাধ্যতামূলক ‘বাংলা কিউআর’, এক কোডেই সব ডিজিটাল পেমেন্ট
- বিশ্বকাপ থেকে ইরানের বিদায়ে মার্কিন কর্মকর্তার মন্তব্যে নতুন বিতর্ক
- কর্ণফুলীতে ফিশিং ভেসেলে বিস্ফোরণ, ঢাকায় নেওয়ার পথে দুই নাবিকের মৃত্যু
- গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে রাজনৈতিক সংকট বাড়তে পারে: গোলাম পরওয়ার
- আল আকসায় ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীদের প্রবেশ নিয়ে নতুন উত্তেজনা




