• রবিবার , ১২ জুলাই, ২০২৬ | ২৭ আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেইন না হালান্ড-সেরা কে, তুলনা এড়িয়ে গেলেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক

কেইন না হালান্ড-সেরা কে, তুলনা এড়িয়ে গেলেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:৪৫ ১১ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ড ও নরওয়ের মুখোমুখি লড়াইয়ের আগে আলোচনার কেন্দ্রে হ্যারি কেইন ও আর্লিং হালান্ড। দুই তারকা স্ট্রাইকারের মধ্যে কে বেশি এগিয়ে, এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দিতে রাজি হননি ইংল্যান্ড অধিনায়ক। তার মতে, একই পজিশনে খেললেও দুজনের ভূমিকা ও খেলার ধরনে বড় পার্থক্য রয়েছে।

গোল্ডেন বুটের দৌড়েও রয়েছেন দুই ফরোয়ার্ড। টুর্নামেন্টে হালান্ড সাতটি ও কেইন ছয়টি গোল করেছেন। আট গোল নিয়ে তালিকার শীর্ষে আছেন লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপে। কোয়ার্টার ফাইনালের ফলের সঙ্গে তাই দুই স্ট্রাইকারের ব্যক্তিগত পুরস্কারের লড়াইও নতুন মোড় নিতে পারে।

ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে কেইন জানান, নিজেকে হালান্ডের সঙ্গে সরাসরি তুলনা করা ঠিক হবে না। হালান্ড মূলত গতি, শারীরিক শক্তি, বক্সের ভেতরের অবস্থান এবং নিখুঁত ফিনিশিংয়ের জন্য ভয়ংকর। অন্যদিকে কেইন গোল করার পাশাপাশি নিচে নেমে বল নেওয়া, সতীর্থদের খেলায় যুক্ত করা এবং সুযোগ তৈরিতেও বেশি ভূমিকা রাখতে পছন্দ করেন।

নরওয়ের তারকাকে প্রশংসা করে কেইন বলেন, হালান্ডের শারীরিক সক্ষমতা ও গোল করার রেকর্ডই তার মান প্রমাণ করে। তবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে প্রতিপক্ষ হিসেবে তাকে নিষ্ক্রিয় রাখাই ইংল্যান্ডের প্রধান লক্ষ্য হবে। খেলোয়াড় ও পেশাদার হিসেবে হালান্ডের প্রতি নিজের গভীর শ্রদ্ধার কথাও জানিয়েছেন ইংলিশ অধিনায়ক।

ব্যক্তিগত গোল কিংবা গোল্ডেন বুট নয়, ইংল্যান্ডকে বিশ্বকাপ জেতানোই এখন কেইনের প্রধান লক্ষ্য। তবে দলের মূল গোলদাতা হিসেবে নিজের পারফরম্যান্স যে ইংল্যান্ডের সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, সেটিও স্বীকার করেছেন তিনি।

নরওয়ের বিপক্ষে মাঠে নামলে ইংল্যান্ডের আউটফিল্ড খেলোয়াড় হিসেবে ওয়েন রুনির ১২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচের রেকর্ড স্পর্শ করবেন কেইন। এই অর্জনকে গর্বের বলে উল্লেখ করলেও তার মনোযোগ এখন বিশ্বকাপের শেষ চারের টিকিট নিশ্চিত করার দিকে।

ইংল্যান্ড কোচ টমাস টুখেলও অধিনায়কের নেতৃত্ব ও বর্তমান ফর্মের প্রশংসা করেছেন। তার মতে, কেইন শুধু গোল করেন না, দায়িত্ব নেওয়া এবং সতীর্থদের উজ্জীবিত করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ফলে ইংল্যান্ড-নরওয়ে কোয়ার্টার ফাইনালটি দুই দলের পাশাপাশি বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা দুই স্ট্রাইকারের লড়াই হিসেবেও বাড়তি আগ্রহ তৈরি করেছে।

বিজ্ঞাপন