• বুধবার , ২১ অক্টোবর, ২০২৬ | ৬ কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিচ্ছেদের পর অতিরিক্ত মদ্যপান, ২৬ দিন রিহ্যাবে ছিলেন যুজবেন্দ্র চাহাল

বিচ্ছেদের পর অতিরিক্ত মদ্যপান, ২৬ দিন রিহ্যাবে ছিলেন যুজবেন্দ্র চাহাল

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:২১ ২১ অক্টোবর ২০২৬

বৈবাহিক জীবনের টানাপোড়েন ও বিচ্ছেদের ধাক্কায় একসময় মানসিক অবসাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছিলেন ভারতীয় লেগ স্পিনার যুজবেন্দ্র চাহাল। অনিয়ন্ত্রিত মদ্যপানের আসক্তি কাটিয়ে উঠতে তাকে টানা ২৬ দিন একটি পুনর্বাসন কেন্দ্রে কাটাতে হয়েছিল। সম্প্রতি সাবেক সতীর্থ আকাশ চোপড়ার পডকাস্টে খোলামেলা আলোচনায় নিজের জীবনের সেই অন্ধকার অধ্যায় এবং সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প প্রকাশ্যে এনেছেন এই তারকা ক্রিকেটার।

চাহাল জানান, ধনশ্রী বর্মার সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর তীব্র উদ্বেগ ও প্যানিক অ্যাটাকের শিকার হন তিনি। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নানা আলোচনা ও সমালোচনা তার মানসিক অবস্থার ওপর গভীর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল, যার ফলে সাময়িকভাবে ক্রিকেট থেকেও দূরে সরে যেতে হয় তাকে।

নিজের অভ্যাসের অবনতি প্রসঙ্গে এই লেগ স্পিনার উল্লেখ করেন, গত বছর কাউন্টি ক্রিকেট খেলার পর তার মদ্যপানের বিষয়টি সব ধরনের নিয়ন্ত্রণ হারায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় প্রিয়জন ও বন্ধুদের সহযোগিতায় তিনি একটি পুনর্বাসন কেন্দ্রে ভর্তি হন এবং সেখানে ২৬ দিন চিকিৎসাধীন থাকেন।

পুনর্বাসন কেন্দ্রে কাটানো সময়টি ব্যক্তিগত জীবনে বড় পরিবর্তন এনেছে বলে জানান চাহাল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই সিদ্ধান্তের ফলেই তার আবেগের ভারসাম্য ফিরে এসেছে এবং মানসিক পরিপক্বতা বেড়েছে। যার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছিল পরবর্তী আইপিএলেও, যেখানে নিজেকে শারীরিকভাবে আগের চেয়ে অনেক বেশি সতেজ মনে হয়েছিল তার।

ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের স্মৃতি টেনে চাহাল বলেন, ২০১১ সালে আইপিএল অভিষেকের সময় প্রোটিয়া কিংবদন্তি এবি ডি ভিলিয়ার্স তাকে জীবনে ভারসাম্যের গুরুত্ব বুঝিয়েছিলেন। কিন্তু বিচ্ছেদের পর মানসিক চাপে সেই ভারসাম্য হারিয়ে যায়। একপর্যায়ে বুঝতে পারেন, এই পথে চলতে থাকলে প্রাণের চেয়ে প্রিয় ক্রিকেট ক্যারিয়ার ধ্বংস হয়ে যাবে। সেই উপলব্ধি থেকেই নিজেকে ফিরিয়ে আনার কঠিন সিদ্ধান্ত নেন এবং বর্তমানে তিনি আগের চেয়ে অনেক বেশি আনন্দিত ও ইতিবাচক অবস্থায় রয়েছেন।

বিজ্ঞাপন